আইন-আদালত

ড. ইউনূস-শফিকুলসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদনের আদেশ ১২ জুলাই 

হামে আক্রান্ত হয়ে ৯ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তুলে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে। এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ১২ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।

Advertisement

রোববার (৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এ দিন নির্ধারণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী আশুতোষ ভৌমিক।

মামলার আবেদনে আসামি হিসেবে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম ছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবু জাফর এবং সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন হামে শিশুর মৃত্যু, ড. ইউনূস-শফিকুলসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

এর আগেও একই ধরনের অভিযোগে এই চারজনের বিরুদ্ধে ঢাকার বিভিন্ন আদালতে করা একাধিক মামলার আবেদন খারিজ হয়েছিল।

Advertisement

আদালত সূত্র জানায়, হামে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া শিশু সাউদা নুসকানের বাবা সিরাজুল ইসলাম রোববার সকালে আদালতে মামলার আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের পর আদেশ সংরক্ষণ করেন এবং পরে আগামী ১২ জুলাই আদেশ ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেন।

আরও পড়ুন সালমান শাহর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ

মামলার আবেদনে বলা হয়, শরীয়তপুর সদর উপজেলার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ৯ মাস বয়সী মেয়ে সাউদা নুসকান চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে জ্বরে আক্রান্ত হয়। পরে মার্চের প্রথম সপ্তাহে হাম শনাক্ত হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে ২২ মার্চ তাকে মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বাদীর অভিযোগ, ওই হাসপাতালেও চিকিৎসক ও নার্সদের অবহেলা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা না পাওয়ার কারণে ২৬ মার্চ শিশুটির মৃত্যু হয়।

আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, শিশুদের জন্য সময়মতো হামের টিকা সরবরাহে ব্যর্থতা, টিকা সংগ্রহ ও বিতরণে অব্যবস্থাপনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে দেশে ছয় শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই মৃত্যুর ঘটনাগুলোর মধ্যে সাউদা নুসকানের মৃত্যুও রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

Advertisement

এমডিএএ/কেএসআর