বাংলাদেশ পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তার নাম, ছবি ও পরিচয় ব্যবহার করে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচার করছে সংঘবদ্ধ আন্তঃদেশীয় চক্র। একাধিক ভুয়া আইডি ও পেজ ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চালানো হচ্ছে অপপ্রচার। সংঘবদ্ধ এসব চক্রের ব্যাপারে তদন্তে নেমেছে পুলিশের একাধিক ইউনিট। তদন্তে শনাক্ত হয়েছে বেশ কয়েকজন। তাদের ধরতে অভিযান চলছে।
Advertisement
শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে পুলিশ সদর দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এছাড়া অপপ্রচারের পেছনে বেশ কয়েকজনের মধ্যে চট্টগ্রামের একজন সরাসরি জড়িত বলে প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ।
পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইন পোর্টাল ও ভুয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন পেজ ব্যবহার করে পুলিশের বিভিন্ন কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এসব প্ল্যাটফর্ম চাঁদাবাজি, ব্ল্যাকমেইল, অপপ্রচার এবং ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
Advertisement
পুলিশ সদর দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, বিষয়টি তদন্তে বাংলাদেশ পুলিশের একটি বিশেষায়িত সাইবার টিম নিবিড়ভাবে কাজ করছে। এ পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, দেশ ও বিদেশ থেকে সমন্বিতভাবে একটি সংঘবদ্ধ আন্তঃদেশীয় চক্র এসব কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
তদন্তে আরও কয়েকজন ব্যক্তির সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তাদের মধ্যে চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্য, পলাতক ও আদালতের মাধ্যমে দণ্ডপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের অনুগত হিসেবে চিহ্নিত কিছু ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার তথ্যও তদন্তে উঠে এসেছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে কাজ করছে। তদন্তে প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে খুব দ্রুত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তারা।
টিটি/এনএইচআর
Advertisement