শিক্ষা

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার এমপিও দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি শিক্ষকদের

২০২৫ সালের নীতিমালা অনুযায়ী আবেদন করা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসাগুলোর এমপিও দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকরা। একই সঙ্গে অনুদানবিহীন প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন এমপিও গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশসহ পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেছেন তারা।

Advertisement

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা জাতীয় শিক্ষক ঐক্যফ্রন্ট এ কর্মসূচি করে।

মানববন্ধনে বক্তারা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, হয়রানি এবং মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অনিয়ম-দুর্নীতির বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন ইবতেদায়ি মাদরাসা জাতীয়করণ হলে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন কত হবে?

তারা বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এতে শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি হয়েছে।

Advertisement

এসময় তারা প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা নীতিমালা ২০২৫ অনুযায়ী আবেদন করা প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্রুত এমপিও প্রজ্ঞাপন জারি এবং অনুদানবিহীন প্রতিষ্ঠানের জন্য এমপিও আবেদনের নতুন গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদিত শূন্যপদে কর্মরত শিক্ষকদের বকেয়া বেতন-ভাতা চলতি জুলাইয়ের মধ্যেই পরিশোধ। প্রাথমিক সমমানের বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তির বকেয়া অর্থ আগামী আগস্টের মধ্যে প্রদান। ইবতেদায়ি মাদরাসার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে পৃথক শাখা খুলে স্থায়ী কর্মকর্তা পদায়ন। ফাইল আটকে রাখা, অনিয়ম এবং এক প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা ইনডেক্স অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরের সঙ্গে জড়িত দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ।

বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এসব দাবি উপেক্ষিত থাকায় স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসাগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তাই শিক্ষার স্বার্থে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের কাছে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মাওলানা শামসুল হক আনছারী এবং সঞ্চালনা করেন মহাসচিব হাফেজ মাওলানা মুফতি আব্দুল হান্নান।

এএএইচ/এমআইএইচএস

Advertisement