যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে কোনো ধরনের বৈঠক হচ্ছে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব বৈঠক বাতিল করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বিক্ষোভকারীদের ‘বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দখল করতে’ বলেছেন। খবর আল জাজিরার।
Advertisement
মঙ্গলবার সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে ট্রাম্প বিস্তারিত কিছু না জানিয়ে বলেছেন, ‘সাহায্য আসছে’। ট্রাম্প গত কয়েকদিন ধরে ইরানের ওপর সামরিক হামলার নির্দেশ দেওয়ার কথা বিবেচনা করছেন।
ট্রাম্প তার নিজস্ব ট্রুথ সোশ্যালে বলেছেন, ইরানি দেশপ্রেমিকরা প্রতিবাদ চালিয়ে যান। আপনাদের প্রতিষ্ঠান দখল করুন। খুনি এবং নির্যাতনকারীদের নাম সংরক্ষণ করুন। তাদের বড় মূল্য দিতে হবে।
তিনি বলেন, বিক্ষোভকারীদের নির্মমভাবে হত্যা করা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব বৈঠক বাতিল করেছি।
Advertisement
মঙ্গলবার সাংবাদিকরা ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করেন যে, ‘সাহায্য আসছে’ বলার অর্থ কী? ট্রাম্প এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
সিবিএস নিউজের সঙ্গে পরবর্তী এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আবারও বলেন, ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে তবে আমেরিকা ‘খুব কঠোর পদক্ষেপ’ নেবে। তিনি আরও বলেন, কতজন নিহত হয়েছে তার ‘সঠিক সংখ্যা’ তিনি এখনো পাননি।
এরই মধ্যে তেহরানের প্রসিকিউটররা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক বিক্ষোভে গ্রেফতার হওয়া কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে ‘মোহারেবেহ’ বা ‘ঈশ্বরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার’ অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডের মামলা করা হবে।
এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প বলেন, যদি তারা (ইরান) এমন কিছু করে, তাহলে আমরা অত্যন্ত কঠোর পদক্ষেপ নেবো। তিনি আরও বলেন, তারা এরই মধ্যে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে, এখন আবার ফাঁসির কথা শুনছি। দেখা যাক, এটা তাদের জন্য কীভাবে কাজ করে।
Advertisement
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, বিক্ষোভ থামাতে ইরানের দমন-পীড়নে এরই মধ্যে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়ে থাকতে পারে। এসব বিক্ষোভ ইরানের ধর্মীয় নেতৃত্বের জন্য এখন পর্যন্ত অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ বলে দাবি করছেন অনেকেই।
টিটিএন