সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্নফাঁসের যে অভিযোগ উঠেছিল, গোয়েন্দা সংস্থার পূর্ণাঙ্গ তদন্তেও তার প্রমাণ মেলেনি বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এ কারণে এ পরীক্ষা নিয়ে আর কোনো বিতর্ক নেই। এখন খুব শিগগির ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
Advertisement
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবু নূর মো. শামসুজ্জামানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় (তিন পার্বত্য জেলা বাদে) এক হাজার ৪০৮টি পরীক্ষাকেন্দ্রে একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা হয়। ১৪ হাজার ৩৮৫টি পদের বিপরীতে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৯৫টি আবেদন জমা পড়ে এবং ৮ লাখ ৩০ হাজার ৮৮ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন।
এতে আরও বলা হয়, স্ব স্ব জেলার ডিসির প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিয়োগ করা মনিটরিং কর্মকর্তা, জেলা পুলিশ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, গোয়েন্দা সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সবার সার্বিক সহায়তায় সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা গ্রহণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। কোনো জেলা থেকে কোনো প্রকার অনিয়ম বা অপ্রীতিকর ঘটনার তথ্য পাওয়া যায়নি।
Advertisement
‘যথাযথভাবে পরীক্ষা পরিচালনায় দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণের কারণে অসদুপায় অবলম্বন ও ডিভাইস ব্যবহারের অপরাধে দুই শতাধিক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ বা নিয়মিত মামলা করা হয়। ভুয়া প্রশ্নপত্র দিয়ে প্রতারণার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক আটক ও মামলা দায়েরের ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে।’
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রশ্ন ফাঁসসহ অন্যান্য অনিয়মের অভিযোগ এনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে ১১ জানুয়ারি দেড় শতাধিক ব্যক্তি একটি স্মারকলিপি দেন। আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত অভিযোগসমূহ গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠানো হয়। এ ব্যাপারে গোয়েন্দা সংস্থা পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষ করে এবং উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদন জমা দেয়। এ অবস্থায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল অনতিবিলম্বে প্রকাশ করা হবে।
এএএইচ/এমআইএইচএস
Advertisement