নিলামের আগেই সরাসরি চুক্তিতে তানজিদ হাসান তামিকে দলে ভিড়িয়েছিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। তবে আসর শুরু পর ব্যাট হাতে মোটেও ছন্দে ছিলেন না এই বাঁহাতি ওপেনার। এমনকি ফাইনালের আগে ১২ ম্যাচে মাত্র একটি ফিফটি ছিল তামিমের। তবে সতীর্থকে রাজশাহী অধিনায়ক বলেছিলেন ‘জায়গামতো খেলে দিলেই হবে।’
Advertisement
গতকাল শুক্রবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিপিএলের ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় রাজশাহী। ৬২ বলে ১০০ রানের ইনিংসে ম্যাচ সেরা হন তামিম। আসর শেষ করেছেন ৩৫৬ রান নিয়ে। অথচ এর আগে ১২ ম্যাচে করেছিলেন ২৫৬ রান।
বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে এক পঞ্জিকাবর্ষে ৭৬ ছক্কার রেকর্ড গড়ে ১ হাজার ২৮৯ রান করেন তামিম। সেটা দেখেই তাকে নিলামের আগেই দলে ভেড়ায় রাজশাহী। কিন্তু সেই আস্থার প্রতিদান তিনি দিতে পারছিলেন না।
রান খরায় ভোগা তামিমকে কিভাবে উজ্জীবিত রেখেছিলেন আসর জুড়ে, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর সেই গল্প শুনিয়েছেন রাজশাহী অধিনায়ক শান্ত। তিনি বলেন, ‘আমরা জানি তামিম (তানজিদ) কত ভালো ক্রিকেটার। শুরুর দিকে ভালোভাবে শুরুটাই করতে পারছিল না। কিন্তু শেষের কয়েকটি ইনিংস যদি দেখেন, তাহলে ইম্প্যাক্ট রেখেছে। তামিমের কাছ থেকে এরকমই আশা ছিল। একটা কথাই সবসময় তামিমকে পুরা টুর্নামেন্টে বলেছিলাম যে, সব ম্যাচ ভালো খেলতে হবে না, “জায়গামতো আমাকে ম্যাচটা জিতিয়ে দিও” কাজেই আলহামদুলিল্লাহ যে ও আসলে ঠিক সময়মতো খুব দারুণ একটা ইনিংস খেলেছে।’
Advertisement
ফাইনালে তামিমের ইনিংস নিয়ে শান্তর মূল্যায়ন, ‘ফাইনালের মতো এরকম ম্যাচে যখন এরকম একটা ইনিংস হয়, তখন পুরো দলের জন্যই একটা বাড়তি অনুপ্রেরণা জাগায় এবং ওই আত্মবিশ্বাসটা তৈরি হয়। ইনিংসের শুরুতেই এরকম একটা ইনিংস দলকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছে।’
এসকেডি/আইএন