বছরের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পার হয়ে গেছে, সামনে আসছে ঈদ-উল আজহা। এই সময়টায় অনেক চাকরিজীবী বোনাস পান, আবার বাজারেও দেখা যায় বড় বড় ছাড় - বিশেষ করে ফ্রিজ, টিভি, আসবাবের মতো প্রয়োজনীয় জিনিসে।
Advertisement
ফলে হুট করে কেনাকাটা না করে এখনই যদি একটু পরিকল্পনা করা যায়, তাহলে খরচও নিয়ন্ত্রণে থাকবে, প্রয়োজনীয় জিনিসও কেনা হবে সঠিক সময়ে।
কেন এখনই পরিকল্পনা করবেন?ঈদের আগে ডিসকাউন্ট অফার আর বাড়তি আয়ের সুযোগ - এগুলো একসঙ্গে পাওয়া যায় খুব কম সময়েই। তাই এই সময়টা স্মার্টভাবে ব্যবহার করলে বছরের বড় খরচগুলো সহজে গুছিয়ে আনা সম্ভব।
১. আগে প্রয়োজন ঠিক করুনফ্রিজ, টিভি, আসবাব - কোন জিনিসটি এখন সত্যিই দরকার, সেটি আগে ঠিক করুন। শুধু ছাড় দেখে অপ্রয়োজনীয় কিছু কিনে ফেলবেন না।
Advertisement
২. বাজেটের সীমা নির্ধারণ করুনমোট কত টাকা খরচ করবেন, সেটির একটি নির্দিষ্ট সীমা ঠিক করুন। বোনাস পেলেও পুরোটা খরচ না করে একটি অংশ সঞ্চয়ে রাখার পরিকল্পনা করুন।
৩. বাজার যাচাই করুনএকই পণ্যের দাম বিভিন্ন দোকান বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তুলনা করুন। কোথায় আসলেই ভালো অফার পাওয়া যাচ্ছে, সেটি বুঝে সিদ্ধান্ত নিন।
৪. কিস্তি বা অফারের ফাঁদে না পড়াঅনেক সময় সহজ কিস্তির অফার আকর্ষণীয় মনে হলেও মোট খরচ বেড়ে যেতে পারে। তাই শর্তগুলো ভালোভাবে বুঝে নিন।
৫. গুণগত মানকে অগ্রাধিকার দিনকম দামের জন্য নিম্নমানের পণ্য কিনলে পরে আবার খরচ বাড়তে পারে। তাই টেকসই ও ভালো মানের জিনিসে বিনিয়োগ করাই বুদ্ধিমানের।
Advertisement
৬. জরুরি ফান্ড অক্ষত রাখুনসব টাকা খরচ করে ফেলবেন না। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতির জন্য কিছু অর্থ আলাদা রাখা জরুরি।
৭. পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করুনবড় কেনাকাটার আগে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলুন। এতে সিদ্ধান্ত আরও বাস্তবসম্মত হয় এবং অপ্রয়োজনীয় খরচ এড়ানো যায়।
ঈদের সময়ের বাড়তি আয় আর ছাড় - দুটোই সুযোগ, আবার ঝুঁকিও। পরিকল্পনা করে এগোলে এই সময়টাকেই কাজে লাগিয়ে বছরের বড় খরচগুলো সহজে সামলানো যায়। তাই এখনই হিসাব কষে নিন।
সূত্র: ইনভেস্টোপিডিয়া, নের্ডওয়ালেট, গুড হাউসকিপিং, ব্যাংকরেট
এএমপি/জেআইএম