পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
Advertisement
ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ চলাচল অনেকটাই সীমিত হয়ে পড়েছে। যার বিরূপ প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে। রোববার (১৯ এপ্রিল) কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, কুয়েত, মালয়েশিয়া, চীন, আরব আমিরাত, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, ওমান ও ভারত থেকে সরাসরি চুক্তির আওতায় বিপিসি ৫০ শতাংশ পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করে। বাকি ৫০ শতাংশ জ্বালানি আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে আমদানি করা হয়।
তিনি বলেন, ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসিতে পরিশোধনের জন্য সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়। বছরে ১৩ থেকে ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি হয়। স্বাভাবিক অবস্থায় আমদানি করা ক্রুড অয়েলের শতভাগ হরমুজ প্রণালি দিয়ে আমদানি করা হয়।
Advertisement
‘তবে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালি ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না। সামগ্রিকভাবে মোট আমদানি করা জ্বালানি তেলের প্রায় ২০ থেকে ২৩ শতাংশ হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে পরিবহন করা হয়।’
মন্ত্রী আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি জ্বালানি সরবরাহে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কিছুটা বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে। তবে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিলেও বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
দেশে জরুরি চাহিদা পূরণের জন্য বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি তেল আমদানির কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এমওএস/এমকেআর
Advertisement