পশ্চিমবঙ্গে ভোটের আবহাওয়ায় আওয়াল শেখ কোনো একটি পক্ষের ‘পোস্টার বয়’ হয়ে উঠতেই পারতেন। কারণ, একে তো তিনি মুসলিম, তার ওপরে আবার এসআইআরের দ্বিতীয় দফায় ‘বিবেচনাধীন’ থাকলেও শেষমেষ তার নাম উঠেছে ভোটার তালিকায়।
Advertisement
যখন ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধনের পরে লাখ লাখ মুসলিমের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তার মধ্যেই মুর্শিদাবাদ জেলার ভগবানগোলার বাসিন্দা আওয়াল শেখের ঘটনা উল্লেখযোগ্য বলে কেউ প্রচার করতেই পারতেন।
তবে তিনি পোস্টার বয় হতে পারেননি, কারণ তিনি যে ভারতের নাগরিক, তা প্রমাণ করার আগে এক বছর তাকে তামিলনাডুতে ‘ডিটেনশন সেন্টারে’ আটক থাকতে হয়েছিল কথিত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সঙ্গে। মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায়ে তিনি ‘ভারতীয়’ প্রমাণিত হয়ে কিছুদিন আগে বাড়ি ফিরেছেন।
আরও পড়ুন>>বিজেপি নেতা শুভেন্দুর আসনে বাদ পড়া ভোটারদের ৯৫ শতাংশই মুসলিমভারতে হিন্দুত্ববাদী মবের প্রতিবাদ করায় উল্টো যুবকের বিরুদ্ধেই মামলাভারতে ৩ প্রবীণ মুসলিমকে মারধরের ভিডিও নিয়ে তোলপাড়
Advertisement
আবার, এই ভোটের মধ্যেই অন্য কোনো পক্ষ ওই জেলারই লালগোলা বিধানসভা আসনের অন্তর্গত দেবীপুরের বাসিন্দা হালিম শেখকেও সামনে আনতে পারত তাদের প্রচারণায়।
কারণ, তাকে যখন উড়িষ্যা রাজ্যের পুলিশ গত বছর ছয়দিন আটকে রেখেছিল ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’ সন্দেহে, তখন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য পুলিশই তো নথি যাচাই করে তাকে মুক্ত করার কাজটি করে দিয়েছিল।
কিন্তু একবার পুলিশ তার নাগরিকত্ব যাচাই করে দেওয়ার পরেও ভোটার তালিকায় তার নামও যে নেই, তাই তারও ‘পোস্টার বয়’ আর হয়ে ওঠা হলো না।
এর মধ্যেই চলে এল ভোটগ্রহণের প্রথম পর্ব।
Advertisement
আর সেই ভোট নিতে সরকারি দায়িত্ব পালন করতে হবে আখতার আলীকে। তিনি একটি কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার।
এই হাইস্কুল শিক্ষক বলেন, ‘আমি ভোট পরিচালনা করবো, অথচ আমার নিজেরই ভোটাধিকার নেই। আমার নামও বাদ পড়েছে ভোটার তালিকা থেকে।’
মুসলিম অধ্যুষিত তিন আসনে সর্বাধিক নাম বাদযে তিনটি এলাকার কয়েকজন মানুষের কথা উল্লেখ করা হলো, তারা মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ, লালগোলা আর ভগবানগোলার বাসিন্দা।
ওই তিনটি মুসলিম অধ্যুষিত বিধানসভা আসনে সব থেকে বেশি ভোটারের নাম বাদ গেছে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ায়।
পশ্চিমবঙ্গের সমাজ-গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সবর ইনস্টিটিউট’ নির্বাচন কমিশনের তথ্য থেকে একটি মানচিত্র তৈরি করে তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে, যেখানে কোনো একটি আসনের ওপর কম্পিউটারের মাউস রাখলেই সংশ্লিষ্ট আসনে কত ভোটারের নাম বাদ পড়েছে, সেই তথ্য উঠে আসছে।
ওই তথ্য থেকেই দেখা যাচ্ছে সামশেরগঞ্জেই নাম বাদ পড়ার সংখ্যা রাজ্যের মধ্যে সর্বাধিক। গত বছর ওই আসনে ভোটার ছিলেন প্রায় দুই লাখ ৫৩ হাজার।
এসআইআরে প্রথম পর্যায়ে মৃত, অন্যত্র চলে গেছেন বা একাধিক জায়গায় নাম আছে—এমন আট হাজারের কিছু বেশি ভোটারের নাম বাদ গিয়েছিল।
এরপরের পর্যায়গুলোতে ভোটারদের নামে কোনো ‘যুক্তিগ্রাহ্য অসংগতি’ আছে কি না, তা খোঁজা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে।
সবর ইনস্টিটিউটের গবেষক সাবির আহমেদ বলছিলেন, ‘যেসব যুক্তিগ্রাহ্য অসংগতির কথা বলেছে নির্বাচন কমিশন, সেগুলো চূড়ান্ত অযৌক্তিক। নামের বানানে সামান্য ভুল, বিবাহিত নারীদের পদবি বদল, ব্যানার্জি আর বন্দ্যোপাধ্যায় যে একই পদবি—এমনকি বাবা-মায়ের কেন ছয়ের বেশি সন্তান—এসবও যুক্তিগ্রাহ্য অসংগতি বলে ধরে নিয়েছে এআই।’
এসব অসংগতি যাদের নামে পাওয়া গেছে, তাদের রাখা হয়েছিল ‘বিবেচনাধীন’ তালিকায়। বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তা সেইসব নাম বিবেচনা করেছেন।
তারপর প্রকাশিত সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী সামশেরগঞ্জের ৮৩ হাজার ৬৬২ জনের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।
লালগোলা আসনটিও মুসলিম অধ্যুষিত। সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী ওই অঞ্চলে বাদ পড়েছে ৬৩ হাজারের কিছু বেশি ভোটার।
আর ভগবানগোলায় বাদ পড়েছেন সাড়ে ৫৩ হাজার ভোটার।
‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে কাউকে আটক, কাউকে মারধরমুর্শিদাবাদ জেলার এই তিনটি আসনই মুসলিম অধ্যুষিত এবং এই অঞ্চলগুলো থেকেই প্রচুর মানুষ অন্য রাজ্যে কাজ করতে যান—সরকারি ভাষায় যাদের বলা হয় ‘পরিযায়ী শ্রমিক’।
তাদের মধ্যে হিন্দুরা যেমন আছেন, তেমন মুসলিমরাও আছেন।
তবে মুসলিম পরিযায়ী শ্রমিকদেরই ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’ বা ‘রোহিঙ্গা’ সন্দেহে গত প্রায় এক বছর ধরে বিভিন্ন রাজ্যের পুলিশ এবং স্থানীয় হিন্দুত্ববাদীদের হাতে হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে, মারধরও করা হয়েছে।
তাদের ওপর সন্দেহের প্রাথমিক কারণ তাদের ধর্মীয় পরিচয়।
গত এক বছরে মুর্শিদাবাদ বা মালদা জেলার যত পরিযায়ী শ্রমিকের হেনস্তার খবর পাওয়া গেছে, প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই তারা অভিযোগ করেছেন যে তাদের নাম বা পরিচয়পত্র দেখে মুসলিম বলে নিশ্চিত হওয়ার পরই তাদের মারধর বা আটক করা হয়েছে।
কাউকে যেমন পরিচয় যাচাই করার জন্য আটক থাকতে হয়েছে, আবার ভগবানগোলার বাসিন্দা মেহবুব শেখকে বাংলাদেশি সন্দেহে ‘পুশ-আউট’ করে দেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশে।
তিনি ভারতে ফিরতে পেরেছিলেন এবং কয়েক মাস আগে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছিলেন।
তার বাড়ি থেকে কিছুটা দূরের বাসিন্দা আওয়াল শেখকে জোর করে বাংলাদেশে পাঠানো না হলেও প্রায় এক বছর আটক থাকতে হয়েছিল তামিলনাডুর একটি ‘ডিটেনশন সেন্টারে’, আরও অনেক কথিত বাংলাদেশিদের সঙ্গে।
‘ডিটেনশন সেন্টারে’ এক বছরভগবানগোলা এলাকার যুবক আওয়াল শেখ গত বছরের রমজানের পর তামিলনাডুর কুড্ডালোরে রাজমিস্ত্রীর কাজ করতে গিয়েছিলেন।
যে বাসায় তিনি ভাড়া থাকতেন, সেখানে একদিন পুলিশ গিয়ে তাকে আরও কয়েকজনের সঙ্গে থানায় নিয়ে যায়।
তিনি বলেন, থানায় তাকে বাড়িতে ফোন করে নথিপত্র আনাতে বলা হয়। তার বাবা সব কাগজপত্র পাঠালেও সন্দেহ দূর হয়নি।
পরে তাকে জেলে পাঠানো হয় এবং পরবর্তীতে বন্দি শিবিরে স্থানান্তর করা হয়।
তার পরিবার জানায়, তাকে মুক্ত করতে প্রায় ৯৫ হাজার রুপি খরচ হয়েছে।
আওয়াল শেখ বলেন, এখন ভোট পর্যন্ত বাড়িতে থাকবেন, এরপর আবার কাজে যেতে হবে।
‘দেশের জন্য যুদ্ধ করেছি, তবুও আমি বাদ?’
ভারতীয় সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত হাবিলদার দাউদ আলি জানান, ১৯৯৯ সালের কারগিল যুদ্ধে আহত হওয়ার পর তিনি অবসর নেন। পরবর্তীতে রেলওয়েতে চাকরি করে ২০২৩ সালে অবসর নেন।
তিনি বলেন, সব নথিপত্র জমা দেওয়ার পরেও তার ও তার তিন সন্তানের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।
‘আমার গর্ব ছিল দেশের জন্য যুদ্ধ করেছি। তবুও আমার নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠল। রাগ নেই, তবে দুঃখ তো হয়েই,’ বলেন তিনি।
‘কত নাম লিখবেন, খাতা শেষ হয়ে যাবে’ভগবানগোলা বিধানসভা আসনের অধীন রানীতলা থানা এলাকার একটি চায়ের দোকানে মইজুদ্দিন নামে একজন বলেন, বয়স ৮০ হয়ে গেছে, অনেক পুরুষ ধরে এখানেই থাকি। কতদিন আর বাঁচব তার ঠিক নেই। এখন, এই বয়সে এসে আমার নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠল।
তার পরিবারের ১৪ জন সদস্যের মধ্যে ১১ জনেরই নাম বাদ পড়েছে ভোটার তালিকা থেকে। রূপা বেওয়া, তানজুরা বেওয়াদের শুনানিতে ডেকে পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন, তারপরেও তাদের এবং পরিবারের অনেকের নাম বাদ পড়েছে।
স্থানীয় খড়িবোনা গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্বাচিত সদস্য ওহিদুজ্জামান বলেন, আমাদের পরিবার ১৪ জন ভোটার। এদের মধ্যে বাবা, মা, দাদা-বৌদি, ছেলে মেয়ে, বোন - সবার নাম চূড়ান্ত তালিকায় আছে। বাদ শুধু আমি। এটা কী ধরনের অসংগতি খুঁজে পেল?
তিনি যে গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য, সেই এলাকার প্রায় ২৩ হাজার ভোটারের মধ্যে প্রায় সাত হাজার মানুষের নাম বাদ পড়েছে।
দেবীনগর গ্রামের একজনের কথায়, ‘আর কত নাম লিখবেন। এত নাম বাদ পড়েছে যে আপনার খাতার পাতা, কলমের কালি শেষ হয়ে যাবে, তবুও বাদ পড়াদের নামের লিস্ট শেষ হবে না।’
প্রসঙ্গত, বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) শুরু হওয়ার আগে পশ্চিমবঙ্গে মোট ভোটার ছিল প্রায় ৭ কোটি ৬৬ লাখ। এবার সেই সংখ্যা কমে দাঁড়ায় প্রায় ৬ কোটি ৮২ লাখের মতো।
বাংলাদেশি সন্দেহে অত্যাচার বাড়ার আশঙ্কাআওয়াল শেখের মতো লাখ লাখ মানুষকে মুর্শিদাবাদ বা মালদা জেলা থেকে রাজ্যের বাইরে কোথাও কাজে যেতেই হবে, না হলে যে তাদের সংসার চলবে না।
আওয়াল শেখ কিছুটা নিশ্চিন্ত কারণ তার নাম ভোটার তালিকায় উঠেছে, আবার তিনি যে ভারতীয়, সে তথ্য নিশ্চিত করেছে মাদ্রাজ হাইকোর্ট।
তবে ওই এলাকারই জহরুল শেখ বা পাশের বিধানসভা আসন লালগোলার অন্তর্গত দেবীপুর গ্রামের বাসিন্দা হালিম শেখ, কাউসার আলি, হাফিজুর রহমান, করিম শেখদের মতো – যারা অন্য রাজ্যে কাজে যান, তাদের আশঙ্কা, পরিচয়পত্র থাকার পরেও বছরখানেক ধরে যে ধরনের হয়রানি হয়েছে তাদের ওপরে, এখন ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার পরে তো সরাসরি ‘বাংলাদেশি’ বলে চিহ্নিত করা হতে পারে।
পরিযায়ী শ্রমিক মঞ্চের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক আসিফ ফারুক বলেন, নাম বাদ পড়া মানেই শুধু ভোটাধিকার হারানো নয় এটি নাগরিকত্বের ওপরও প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করছে। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, বিজেপি-শাসিত রাজ্যে বাংলা ভাষা বিদ্বেষীরা তাদের নিশ্চিতভাবে ‘বাংলাদেশি’ তকমা দিয়ে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে যা তাদের সামাজিক ও পেশাগত জীবনে গভীর প্রভাব ফেলছে। কর্মস্থলে কাজ পেতে সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে, কারণ বারবার প্রমাণ করতে হচ্ছে তারা ভারতীয় নাগরিক। কারণ তাদের এপিক কার্ড এই মুহূর্তে বাতিল হয়ে গেছে।
‘ভবিষ্যতে তাদেরও হয়তো আরও আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়তে হতে পারে। এই ভয় তাদের সামাজিক নিরাপত্তা ও মানসিক স্থিতিশীলতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে,’ বলেন আসিফ ফারুক।
‘উৎসবের ভোট হতো, তবে এবার...’লালগোলা বিধানসভা আসনের দেবীপুর গ্রামের মানুষ বলছিলেন যে তাদের গ্রামে ভোট যেন একটা উৎসব ছিল। তবে এবার কি আর সেই উৎসাহ থাকবে মানুষের মধ্যে?
সেখানকার বাসিন্দা কাউসার আলীর কথায়, ‘ভোটের সময়ে, ভোটের দিন গ্রামে যেন একটা উৎসব লেগে যেত। কিন্তু গ্রামের প্রায় প্রতিটা পরিবারের কেউ না কেউ তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। যারা অন্য রাজ্যে কাজ করে, তাদের মধ্যে যাদের নাম বাদ পড়েছে, তারা কাজকর্ম ছেড়ে দিয়ে বাড়িতে এসে বসে আছে ট্রাইবুনালে আপিল করার জন্য। তারপরেও যদি আবার ডাক পড়ে, তাই কেউ ফিরেও যেতে পারছে না নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত। এই অবস্থায় কি আর ভোট দেওয়ার উৎসাহ কারো থাকবে?"
‘তবুও যাদের নাম আছে, তারা ভোট দিতে যাব, মনে কষ্ট নিয়েই যাব,’ বলেন কাউসার আলী।
এবারের ভোটটা যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তা বুঝতে পারছেন গ্রামের মানুষ – তাই তালিকায় নাম থাকলে ভোট দিতেই হবে – এরকম একটা মনোভাব টের পাওয়া যাচ্ছিল।
আবার এটাও নজরে আসছিল যে, দলে দলে পরিযায়ী শ্রমিকরা বাড়িতে ফিরছেন ভোট দেওয়ার জন্যই। তাদের আশঙ্কা, এবার ভোট না দিলে যদি নাম কেটে দেওয়া হয়!
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সমাজ গবেষকরা বলছেন যে এবারের নির্বাচনে এসআইআরটাই মূল ইস্যু হয়ে উঠেছে। এমন একটা এলাকাও নেই, যেখানে এসআইআর নিয়ে ক্ষোভ নেই।
সবর ইনস্টিটিউটের গবেষক সাবির আহমেদের কথায়, রাজ্য সরকারের ওপরে মুসলমানদের একাংশের একটা ক্ষোভ তৈরি হচ্ছিল – যাকে আমরা অ্যান্টি ইনকাম্বেন্সি বলি। তবে এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিপুলসংখ্যক মানুষকে যেভাবে হয়রানি করা হয়েছে, তার পরে সেই ফ্যাক্টরটা আর কাজ করবে না বলেই মনে হচ্ছে।
[পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া লক্ষ লক্ষ মানুষের জন্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ট্রাইবুনাল গঠিত হয়েছে। শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছেন ভোটগ্রহণের দু-দিন আগে পর্যন্তও যাদের নাম নিষ্পত্তি করা হবে, তারা ভোট দিতে পারবেন। এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত বাদ পড়া ভোটারদের নাম ট্রাইবুনাল নিষ্পত্তি করেছে কি না, তা প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি]।
সূত্র: বিবিসি বাংলাকেএএ/