জাতীয়

ওয়াসার পানিতে দুর্গন্ধ, মানুষ খেতে পারে না: সংসদে সাইফুল আলম

ঢাকা ওয়াসার পানি দুর্গন্ধময়, পানিতে পোকা থাকায় মানুষ পান করতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য জামায়াত নেতা সাইফুল আলম মিলন।

Advertisement

বুধবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

সাইফুল আলম মিলন বলেন, ঢাকা শহরে যারা বাস করেন তাদের চারটা সমস্যা। একটা হলো জলাবদ্ধতা। ঢাকা শহরের সব প্রাকৃতিক খাল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যার ফলে আমার ঢাকা-১২ এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা। সামনে বর্ষা আসছে। জায়গায় জায়গায় হাঁটু পানি।  

তিনি বলেন, ২৭ নম্বরেও (ধানমন্ডি) পানি জমে। বিজয় সরণিতেও পানি জমে। পান্থপথের উত্তর পাশে একটা খাল ছিল, এটা বন্ধ করে দিয়ে মার্কেট করা হয়েছে। যার ফলে পান্থপথের উত্তর দিকের আবাসিক এলাকায় বর্ষাকালে হাঁটু পানি জমে যায়। এটিসহ আরও এলাকার জলবদ্ধতা দূর করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন তিনি।

Advertisement

জামায়াতের এ এমপি বলেন, ওয়াসার পানি দুর্গন্ধময়, পানিতে পোকা থাকে, মানুষ ওয়াসার পানি খেতে পারে না। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন তিনি।

আরও পড়ুন১৪ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা থেকে বাসে চড়ে গাজীপুর গেলেন মন্ত্রী 

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী অনেকদিন বাইরে ছিলেন। আমিও সেখানে ছিলাম, কিন্তু আমার সঙ্গে দেখা হয়নি। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ভালো করা উচিত। ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ভালো করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য চাচ্ছি। নোংরা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জায়গায় জায়গায় ভাগাড় বসানো হয়েছে, গন্ধ বের হচ্ছে। এগুলোর সমাধান করা দরকার।

গ্যাসের সমস্যায় পুরো ঢাকা শহর ভুগছে বলে উল্লেখ করেন সাইফুল আলম মিলন বলেন, ৪০-৫০ বছরের অনেক পুরাতন গ্যাস লাইন, এগুলো সংস্কার করা দরকার।

Advertisement

এদিন সংসদে নোয়াখালী বিভাগ করার দাবি জানিয়ে আবদুল হান্নান মাসউদ বলেন, বৃহত্তর নোয়াখালীকে বিভাগ করার জন্য ১৯৯৪ সাল থেকে অঞ্চলটির জনগণ ধারবাহিকভাবে আন্দোলন করে আসছে।

নোয়াখালী বাংলাদেশের অন্যতম পুরোনো জেলা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্রিটিশ শাসন আমলে ঐতিহাসিক বাস্তবতা এবং আঞ্চলিক গুরুত্বপূর্ণতার কারণে এ অঞ্চলে একটি বড় বিমান ঘাটিও নির্মাণ করা হয়েছিল। এ অঞ্চলে ভুলুয়া নামক নদীবন্দর ছিল, যা দক্ষিণাঞ্চলের সবচাইতে বড় নদীবন্দর।

বিদ্যুৎ সংকটের কথা জানিয়ে নওগাঁ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. এনামুল হক বলেন, বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বোরো মৌসুমে জমিতে সেচ দিতে ব্যাঘাত ঘটছে। কিছু কিছু জায়গার উঁচু জমিতে পানি না থাকায় ধান পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে কৃষকেরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পাচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।

এমওএস/কেএসআর