চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপে ইরানের পরিবর্তে অংশ নেওয়ার কোনো আগ্রহ প্রকাশ করেনি বলে জানিয়েছেন ইতালির ক্রীড়া কর্মকর্তারা। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের এক কর্মকর্তার এমন প্রস্তাবের পর তারা এই প্রতিক্রিয়া জানায়।
Advertisement
ইরান বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায়নি। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও দলটি যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফিফা জানিয়েছে, লস অ্যাঞ্জেলেস ও সিয়াটলের কাছে নির্ধারিত তাদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো জুন মাসে পরিকল্পনামাফিকই অনুষ্ঠিত হবে।
মার্কিন বিশেষ দূত পাওলি জাম্পোল্লি ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে নিশ্চিত করেছেন যে তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর কাছে ইতালিকে বিকল্প হিসেবে নেওয়ার ধারণাটি তুলেছিলেন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেওয়া ফোন সাক্ষাৎকারে জামপোল্লি বলেন, ‘আমার অনুরোধটি রাজনৈতিক নয়।’
তিনি জানান, এটি ছিল একটি বিকল্প পরিকল্পনা। যদি শেষ মুহূর্তে ইরান অংশ নিতে না পারে। তিনি বলেন, ‘এটা আমার একটি স্বপ্ন ছিল…ইতালীয় এবং আমেরিকান-ইতালীয়দের জন্যই এই অনুরোধ।’
Advertisement
তবে ইতালির কর্মকর্তারা এই প্রস্তাব কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী আন্দ্রেয়া আবোদি স্কাই নিউজকে বলেন, ‘২০২৬ বিশ্বকাপে ইতালির পুনরায় যোগ্যতা অর্জন, এটা প্রথমত সম্ভব নয়, দ্বিতীয়ত উপযুক্তও নয়। যোগ্যতা মাঠে অর্জন করতে হয়।’
ইতালীয় অলিম্পিক কমিটির সভাপতি লুসিয়ানো বৌনফিগলিও বিষয়টি পছন্দ করেননি। তিনি বলেন, ‘আমি অপমানিতবোধ করব। বিশ্বকাপে যেতে হলে যোগ্যতা অর্জন করতে হয়।’
এটিকে ‘লজ্জাজনক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী জিয়ানসারলো জিওরগেট্টি।
Advertisement
ইরান ছিল প্রথম দিকেই বিশ্বকাপের জন্য যোগ্যতা অর্জনকারী দলগুলোর একটি। অন্যদিকে ইতালি টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ মিস করেছে, যার ফলে কোচ ও ফেডারেশন সভাপতির পদত্যাগ ঘটে।
ইরানের প্রথম ম্যাচ ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডেরর বিপক্ষে। তাদের গ্রুপে আরও রয়েছে সৌদি আরব ও উরুগুয়ে।
আইএন