ধর্ম

কোরবানির শরিক বিজোড় সংখ্যক হওয়া কি জরুরি?

প্রশ্ন: কোরবানির শরিক বিজোড় সংখ্যক হওয়া কি জরুরি? দুই, চার বা ছয়জন শরিক হয়ে কোনো গরু কোরবানি করলে কি কোরবানি শুদ্ধ হবে না?

Advertisement

উত্তর: কোরবানির শরিক বিজোড় সংখ্যক হতে হবে এ রকম কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। একটি গরু যেমন এক ব্যক্তি একা কোরবানি করতে পারেন, তেমনি দুই থেকে সাত পর্যন্ত যে কোনো সংখ্যক শরিক একত্র হয়েও কোরবানি করতে পারেন এতে কোনো বাধা নেই। শরিকের সংখ্যা জোড় না হয়ে বিজোড় হওয়ার কোনো ফজিলতও নেই।

ছয় ধরনের গবাদিপশু দিয়ে কোরবানি করা যায়; উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা। খাওয়া হালাল এমন যে কোনো পশু দিয়ে কোরবানি করা যায় না। যেমন হরিণ খাওয়া হালাল হলেও হরিণ দিয়ে কোরবানি করা যায় না।

ছাগল, ভেড়া, দুম্বা এ তিন পশু একজনের পক্ষ থেকে কোরবানি করা যায়। উট, গরু ও মহিষ এ তিন পশু কোরবানিতে সর্বোচ্চ সাতজন শরিক হতে পারে। অর্থাৎ একজন, দুজন, তিনজন থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ সাতজন ব্যক্তির পক্ষ থেকে একটি পশু কোরবানি যথেষ্ট হতে পারে।

Advertisement

জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রাসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সঙ্গে হজের ইহরাম বেঁধে রওয়ানা হলাম। তিনি উট ও গরু কোরবানির জন্য সাতজন করে শরিক হওয়ার নির্দেশ দিলেন। (সহিহ মুসলিম: ১৩১৮, ৩০৪৯)

একটি ছাগল, ভেড়া বা দুম্বা দুই বা তিন ব্যক্তির পক্ষ থেকে কোরবানি করা যায় না। উট, গরু ও মহিষ আট, নয় বা দশ ব্যক্তির পক্ষ থেকে কোরবানি করা যায় না। কোরবানির একটি নাম বা একটি ভাগে একাধিক ব্যক্তিও শরিক হতে পারে না। এক নামে একাধিক ব্যক্তি শরিক হলে ওই কোরবানি শুদ্ধ হয় না।

ওএফএফ

Advertisement