সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, এডিবির মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী ২০৪০ সালের মধ্যে ৪৯৬ দশমিক ৫০ কিলোমিটার মহাসড়ক ছয় লেনে এবং ১০২ কিলোমিটার মহাসড়ক আট লেনে উন্নীত করা হবে।
Advertisement
রোববার (২৬ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, বর্তমানে ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্পগুলো কী কী? কত সালের মধ্যে দেশের সব জাতীয় মহাসড়কগুলো ছয় লেনে এবং আট লেনে রূপান্তর করা সম্ভব হবে?
জবাবে শেখ রবিউল আলম বলেন, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীনে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) আওতায় বাস্তাবায়নাধীন প্রকল্পগুলো ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত। তবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে চলমান কোনো প্রকল্পই ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত নেই।
Advertisement
মন্ত্রী জানান, ডিএমটিসিএলের আওতায় বর্তমানে ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্পগুলো হলো- এমআরটি লাইন-৬, এমআরটি লাইন-১, এমআরটি লাইন-৫: নর্দার্ন রুট ও এমআরটি লাইন-৫: সাউদার্ন রুট।
শেখ রবিউল আলম বলেন, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতায় সারাদেশে মোট মহাসড়কের দৈর্ঘ্য ২২ হাজার ৭৩৬ দশমিক ৫৮০ কিলোমিটার। এর মধ্যে চার লেন মহাসড়ক ৮৮৩ দশমিক ৬১ কিলোমিটার, ছয় লেন মহাসড়ক ১০ হাজার ৪৮৮ কিলোমিটার ও আট লেন মহাসড়কের ১৭ দশমিক ৩৪৭ কিলোমিটার।
কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের আরেক প্রশ্নের জবাবে সড়কমন্ত্রী বলেন, ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ার প্রেক্ষাপটে মহাসড়কে যানবাহন ও যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে সরকার সমন্বিত নজরদারি ও আইন প্রয়োগ কার্যক্রম আরও জোরদার করেছে।
তিনি বলেন, ঈদের সময় যানবাহনের চাপ অনেক বেড়ে যায়, আর দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু ফিটনেসবিহীন যানও মহাসড়কে চলাচল করে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার কারণ হয়। আমরা বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির মাধ্যমে মোকাবিলা করছি।
Advertisement
এমওএস/একিউএফ