আইন-আদালত

ছাগলকাণ্ডে আলোচিত সাদিক অ্যাগ্রোর ইমরানের জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন

অর্থপাচারের অভিযোগে করা মামলায় ছাগলকাণ্ডে আলোচিত সাদিক অ্যাগ্রোর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইমরান হোসেনের জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এই আবেদন করা হয়েছে।

Advertisement

এ সংক্রান্ত বিষয়ে আগামী সপ্তাহে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে শুনানি হতে পারে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে ডেপুটি অ্যার্টনি জেনারেল মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান নজরুল বলেন, দুর্নীতির অভিযোগে মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় ছাগলকাণ্ডে আলোচিত সাদিক অ্যাগ্রোর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইমরান হোসেনকে হাইকোর্ট গত ২৩ এপ্রিল জামিন দিয়েছিলেন। ইমরানের জামিন আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে রুল অ্যাবসলিউট (যথাযথ) ঘোষণা করে হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন। হাইকোর্টের জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করেছে। আগামী সপ্তাহে শুনানি হতে পারে।

হাইকোর্টে ওইদিন ইমরানের জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও ব্যারিস্টার মো. মাহফুজুর রহমান মিলন। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান নজরুল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আল আমীন।

Advertisement

আরও পড়ুনছাগলকাণ্ডে আলোচিত সাদিক অ্যাগ্রোর চেয়ারম্যানের জামিন

এর আগে ২০২৫ সালের ৩ মার্চ ছাগলকাণ্ডে আলোচিত সাদিক অ্যাগ্রোর চেয়ারম্যান ইমরান হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। রাজধানী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সিআইডি থেকে বলা হয়, ১৩৩ কোটি টাকা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে করা মামলায় সাদিক অ্যাগ্রোর মালিক ইমরান হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।

সংশ্লিষ্ট আদালতের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আল আমিন জাগো নিউজকে বলেন, ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে ১৩৩ কোটি টাকা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ থাকলেও তদন্তে ১৪৬ কোটি টাকা মানি লন্ডারিংয়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে। দীর্ঘ হাজতবাস বিবেচনায় তাকে জামিন দেওয়া হয়েছে।

২০২৪ সালের কোরবানির ঈদে ইমরানের সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ১৫ লাখ টাকায় (প্রাথমিক দর) ‘উচ্চবংশীয়’ ছাগল কেনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হন তৎকালীন এনবিআর সদস্য মতিউর রহমানের ছেলে মুশফিকুর রহমান ওরফে ইফাত।

Advertisement

এরপর আলোচনায় আসে সাদিক অ্যাগ্রো খামার। বেশি দামে গরু বিক্রি করে আলোচিত ছিল সাদিক অ্যাগ্রো। দেশে নিষিদ্ধ ব্রাহমা জাতের ১৮টি গরু আমদানিও করেছিল সাদিক অ্যাগ্রো। কাস্টমস বিভাগ বিমানবন্দরে সেই গরু জব্দ করে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর অবশ্য কৌশলে সেই গরু সাদিক অ্যাগ্রোকেই দিয়েছিল।

এফএইচ/ইএ