আইন-আদালত

দণ্ডিতকে ফেরানোর চুক্তিতে কি বেনজীরকে দেশে আনা সম্ভব?

গুম, খুন, দুর্নীতিসহ বিভিন্ন মামলার আসামি হয়ে বিদেশে পাড়ি দেওয়া পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেফতার হয়েছেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ইন্টারপোলের সহযোগিতায় তাকে গ্রেফতার করেছে দুবাই পুলিশ।

Advertisement

সংযুক্ত আরব আমিরাতে গ্রেফতারের পর এখন জনমনে প্রশ্ন হচ্ছে বাংলাদেশের এক সময়ের দাপুটে আইজিপি বেনজীর আহমেদকে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা যাবে কিনা? চুক্তি অনুযায়ী ফেরানো সম্ভব কিনা? চুক্তির বাইরে পারে কিনা? যেহেতু উভয় দেশের ভেতরে ভালো সম্পর্ক আছে। একটা নতুন কোনো আলোচনার মাধ্যমেও আনা যেতে পারে। এ নিয়ে আইন বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ভিন্ন মত রয়েছে।

যদিও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্দি বিনিময় চুক্তি রয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মধ্যে কেউ কেউ বলছেন তাকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। আবার কেউ কেউ বলছেন, যেহেতু বন্দি বিনিময়ে চুক্তিতে দণ্ডিত আসামিকে ফিরিয়ে আনার চুক্তি হয়েছে, সেহেতু তাকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব না।

গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডাইরেক্টরেট জেনারেল অব ফেডারেল ক্রিমিনাল পুলিশ ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) আবুধাবি থেকে পাঠানো একটি ই-মেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে গ্রেফতারের বিষয়টি জানানো হয় বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন।

Advertisement

২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বেনজীর আহমেদকে গ্রেফতারের জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। দুর্নীতির মামলায় সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। এটিকে পুলিশের ঐতিহাসিক সাফল্য বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রোববার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন যেভাবে দেশ ছেড়ে পালান বেনজীর আহমেদ

এরপর রোববার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দুদকের উপপরিচালক (মিডিয়া) আকতারুল ইসলাম জানান, দুর্নীতি ও পাসপোর্ট জালিয়াতির মামলায় দুবাইয়ে গ্রেফতার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। তার বিরুদ্ধে বর্তমানে ছয়টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ১৪ কোটি ৬২ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় বিচার চলছে। বাকি পাঁচটি মামলার তদন্ত চলমান।

আগে কী হয়েছে?

যদিও বিদেশ থেকে আসামি ফেরত আনার বিষয়ে আগে মিশ্র অভিজ্ঞতা রয়েছে বাংলাদেশের। যেমন সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা লোপাটের জন্য দেশের আর্থিক খাতে আলোচিত নাম প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদার, সন্ত্রাসী জিসান আহমেদ এবং রবিউল ইসলামকে ভারত ও আরব আমিরাত থেকে ফেরানো যায়নি। আবার সাত খুন মামলার আসামি নুর হোসেন, রাজন হত্যার আসামি কামরুল, নরসিংদীর সাবেক চেয়ারম্যান হারুনুর রশীদ খান হত্যা মামলার আসামি আরিফ সরকার এবং টিপু-প্রীতি হত্যার আসামি সুমন শিকদার ওরফে মুসাকে ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার এক আসামিকেও যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত আনা হয়েছিল।

জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ, ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

সরকারের অবস্থান কী?

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেফতার হওয়া সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ সরকার কূটনৈতিক ও প্রত্যর্পণ (বন্দি বিনিময়) চুক্তির আওতায় আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে আদালতের মুখোমুখি করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

রোববার জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, দ্রুত বেনজীরকে ফেরত আনা হবে।

তবে আইনজীবীরা বলছেন, আরব আমিরাতের সঙ্গে যে চুক্তি সেটি হচ্ছে দণ্ডিত বন্দি বিনিময় চুক্তি। বেনজীর আহমেদ দণ্ডিত নন। কিন্তু তাকে বন্দি বিনিময় চুক্তির বাইরে সমঝোতার মাধ্যমেও ফেরত আনা যাবে বলে মত আইনজীবীদের। আবার এর বাইরেও ভিন্নমত পোষণ করেছেন আইনজীবীরা।

বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন?

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের বন্দি বিনিময় চুক্তি থাকলে সেই চুক্তির আওতায় কোনো বন্দিকে দেশে ফিরিয়ে আনার সুযোগ থাকে। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে আমাদের কোনো বন্দি বিনিময় চুক্তি নেই, তবে কূটনৈতিক সম্পর্ক আছে। কূটনৈতিক চ্যানেলে যে কোনো বন্দিকে ফিরিয়ে আনার আইনগত সুযোগ আছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, ছবি: সংগৃহীত

তিনি বলেন, আমাদের দেশে অপরাধ সম্পর্কিত বিষয়ে পারস্পরিক সহায়তা আইন, ২০১২ নামে একটা আইন আছে। মামলা সংক্রান্ত যে কোনো বিষয়ে অন্য কোনো দেশ সহায়তা চাইলে আমরা সেই আইনের আওতায় সহায়তা করি, অন্য কোনো দেশে যদি আমাদের কোনো আসামি থাকে, এই আইনের আওতায় সেই দেশের কাছে সহায়তা চাওয়া যেতে পারে। যেহেতু সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের সুসম্পর্ক আছে এবং আমাদের এখানকার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গ্রেফতার হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি যে, বাংলাদেশ সরকার কূটনৈতিক চ্যানেলে ওই দেশের সরকারের কাছে আবেদন জানাবে তাকে বাংলাদেশে ফেরত দেওয়ার জন্য। তারা বেনজীরকে আমাদের দেশের সরকারের কাছে তুলে দেবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি।

দুদকের আইনজীবী মো. মাহমুদুল আরেফীন স্বপন জাগো নিউজকে বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে দণ্ডিত বন্দিদের প্রত্যার্পণের বিষয়ে ২০১৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বেনজীর তো দণ্ডিত নন। এখন প্রশ্ন তাহলে কী হবে? এটা আলাপ-আলোচনার বিষয়। এই চুক্তি কার্যকর তখনই হতো যদি বেনজীর আহমেদ দণ্ডিত হতেন। আমার ব্যক্তিগত অভিমত যেহেতু ইন্টারপোলের সহযোগিতায় গ্রেফতার হয়েছে, এখন ইন্টারপোলের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারকে বসতে হবে। দুই রাষ্ট্রের মধ্যে আবার কোনো চুক্তি হতে পারে কিংবা ইন্টারপোলের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথভাবে সমাধানে আসতে পারে। এছাড়া তাকে এই মুহূর্তে এই চুক্তি অনুসারে ফেরত আনা যাবে না, কারণ তিনি দণ্ডিত হননি।

আরও পড়ুন বেনজীর আহমেদকে কি ফেরানো সম্ভব, কী বলছে দুই দেশের চুক্তি

মাহমুদুল আরেফীন বলেন, চুক্তির বাইরেও আসতে পারে কিনা, নতুন কোনো চুক্তির মাধ্যমে কিংবা উভয় দেশের ভেতরে নতুন আলোচনার মাধ্যমেও আনা যেতে পারে, যেহেতু চুক্তিটা রয়ে গেছে। ২০১৪ সালের ২৭ অক্টোবর বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে দণ্ডিত বন্দি বিনিময় সংক্রান্ত চুক্তি হয়। সেখানে স্পষ্টভাবে বলা আছে দণ্ডিত বন্দি বিনিময় চুক্তি, মানে বাংলাদেশের সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশের আদালত কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত হলে সেই ক্ষেত্রে।

বেনজীরকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, দেশের সঙ্গে বন্দি বিনিময় চুক্তি না থাকলেও রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কের ভিত্তিতে তারা যদি কোনো অপরাধী প্রত্যার্পণ চায় তাহলে তো দুবাই ফেরত দিতে পারে। আর যেহেতু এটা মুসলিম কান্ট্রি, তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক আছে। বেনজীরকে ফেরত চেয়ে যদি এক্সট্রাডিশন প্রপোজাল (প্রত্যর্পণ প্রস্তাব) দেয় তাহলে ফেরত আনা সম্ভব।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, ছবি: সংগৃহীত

তাজুল ইসলাম বলেন, বেনজীরকে গ্রেফতার বাংলাদেশে ন্যায়বিচারের প্রশ্নে একটা গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। কারণ এই লোকটি বাংলাদেশের সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অন্যতম প্রধান হোতা। তিনি যখন র‍্যাবে ছিলেন, তার সময়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্রসফায়ারসহ বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটে। তিনি জানেন যে, ক্রসফায়ারের সংস্কৃতি কোথায় কীভাবে কার মাধ্যমে হয়েছে।

সাবেক এই চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বেনজীর যখন পুলিশের আইজিপি ছিলেন তখনও তার সময়ে বাংলাদেশে পুলিশ কর্তৃক মানবাধিকার লঙ্ঘনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো ঘটেছে, যেখানে তিনি নিজেও ইনভলভড ছিলেন। শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি সরাসরি কমান্ডিং পজিশনে থেকে পার্টিসিপেট করেছিলেন।

‘বাংলাদেশে ক্রাইম অ্যাগেইনস্ট হিউম্যানিটির সবচেয়ে বড় আসামিদের তিনি একজন। তাকে গ্রেফতার করা বাংলাদেশের জন্য অসম্ভব গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটা বাংলাদেশের একটা সাফল্য আমি বলব, ইন্টারপোলের মাধ্যমে যদিও হয়েছে। সুতরাং তাকে অবিলম্বে বাংলাদেশে ফেরত আনা দরকার এবং বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো উচিত এবং সবাইকে এটা বুঝতে হবে যে, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা এই জাতীয় বড় অপরাধ করে পৃথিবীতে কেউ কখনো শেষ পর্যন্ত পার পেয়ে যায় না।’ বলছিলেন তাজুল ইসলাম।

আরও পড়ুন দুদকের মামলায় দুবাইয়ে গ্রেফতার বেনজীর আহমেদ, পরবর্তী পদক্ষেপ কী আমিরাতের সঙ্গে বন্দি বিনিময় চুক্তি

বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করতে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মধ্যে তিনটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

২০১৪ সালের ২৭ অক্টোবর বাংলাদেশের সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ইউএইর ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের প্রশাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুমের মধ্যে বৈঠক শেষে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

আরও পড়ুন বেনজীরের গ্রেফতার: আইনের শাসনের নতুন পরীক্ষা

চুক্তিগুলো হলো- সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা, দণ্ডিত বন্দি বিনিময় এবং ঢাকায় ইউএই দূতাবাস নির্মাণে জমি হস্তান্তর।

প্রথম দুই চুক্তি বাংলাদেশের তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ইউএইর অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী সাইফ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এবং অপর চুক্তিটি বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ইউএইর পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেক আবদুল্লা বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।

এর আগে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্দি বিনিময় চুক্তি করা হয়েছিল ভারত ও থাইল্যান্ডের সঙ্গে।

আরও পড়ুন শাপলা চত্বরে হত্যা-গুম / বেনজীরের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্যগ্রহণ ও তদন্ত চলছে বেনজীরের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ

বেনজীর আহমেদ ১৯৮৮ সালে পুলিশে যোগ দেন। পরে ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইজিপি পদে ছিলেন। এর আগে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার এবং র‍্যাবের মহাপরিচালকেরও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বেনজীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। সেই থেকে পলাতক রয়েছে। এর মধ্যে তার বিরুদ্ধে পাসপোর্ট জালিয়াতি, দুর্নীতি, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিভিন্ন মামলা হয়। এর ধারাবাহিকতায় তাকে গ্রেফতারের জন্য জারি করা হয় ইন্টারপোলের রেড নোটিশ। সেই নোটিশ জারির দীর্ঘ দিন পর তাকে আরব আমিরাতের দুবাইতে গ্রেফতারের খবর আসে। গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের কিছুক্ষণ পর সংসদেও এ বিষয়ে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

এফএইচ/এমএমএআর