জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হারুন-আল-রশিদের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজ পরিচালনা করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পেশ ইমাম ক্বারী মো. আবু রায়হান।
Advertisement
শুক্রবার (১৯ জুন) জাতীয় সংসদে জানাজার শুরুতেই মরহুম হারুন আল রশিদের সংক্ষিপ্ত জীবনী পাঠ করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব।
এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সংসদের চিফ হুইপ ও হুইপদের পক্ষে হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, বিরোধী দলীয় নেতার পক্ষে ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ও পরিবারের পক্ষে মরহুমের ভাতিজা কামাল হোসেন।
স্পিকার তার বক্তব্যে উপস্থিত সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, হারুন আল রশিদ একজন বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান ছিলেন এবং পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ব্যক্তিজীবনে অমায়িক, সজ্জন সাধারণ মানুষের জন্য নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন।
Advertisement
তিনি আরও উল্লেখ করেন, হারুন আল রশিদ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আস্থাভাজন ছিলেন। তার মৃত্যুতে দেশ একজন জাতীয়তাবাদী ঘরানার নিবেদিতপ্রাণ দেশপ্রেমিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছে। এসময় তিনি মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিরাবের প্রতি সমবেদনা জানান।
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, হারুন আল রশিদ একজন অত্যন্ত প্রজ্ঞাবান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। সততা ও নিষ্ঠার জন্য তার জীবনাদর্শ আমাদের জন্য অনুকরণীয়। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তার অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।
জানাজা শেষে স্পিকারসহ সংশ্লিষ্টরা শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান এবং মরহুমের বিদেদি আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন।
হারুন আল রশিদ গতকাল বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক সাবেক ত্রাণ ও নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
Advertisement
হারুন আল রশিদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসন থেকে পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি বিভিন্ন সময়ে একাধিক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি জাতীয় রাজনীতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
এমওএস/এমকেআর