সরকারি সফরে মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে দেশটিতে সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
Advertisement
প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট রোববার (২১ জুন) বিকেল পৌনে ৩টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানও রয়েছেন। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদের কয়েকজন সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এবং ব্যক্তিগত কর্মকর্তারাও সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন।
Advertisement
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান।
মালয়েশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে সরাসরি চীন সফরে যাবেন।
পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানিয়েছেন, চীন সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), দুটি চুক্তি, একটি কর্মপরিকল্পনা এবং একটি প্রটোকলসহ মোট ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে। এসময় বহু প্রতীক্ষিত তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
আরও পড়ুন তারেক রহমানের সফরে কি খুলবে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার?তিনি আরও জানান, ফেব্রুয়ারিতে সরকার গঠনের পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর। সফরগুলোতে প্রতিনিধিদল তুলনামূলকভাবে ছোট রাখা হয়েছে, যেখানে ২৭ থেকে ২৮ জন সদস্য রয়েছেন।
Advertisement
এই সফরকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদার, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
চীন সফরে আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন এবং ২৬ জুন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।
তিনি লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে ২৩ থেকে ২৫ জুন অনুষ্ঠিতব্য ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’র ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে (সামার দাভোস ফোরাম) অংশ নেবেন, যেখানে ৯০টিরও বেশি দেশের প্রায় ১ হাজার ৭০০ প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করবেন।
আরও পড়ুন প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে কর্মব্যস্ত মালয়েশিয়া বিএনপিসফরের মালয়েশিয়া অংশে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। চীন সফরে অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী আগামী শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
কেএইচ/ইএ