মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) দেশজুড়ে নজরদারি ও আইন প্রয়োগকারী অভিযান আরও কার্যকর করতে প্রতিটি রাজ্যে পৃথক ড্রোন ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা করছে।
Advertisement
শুক্রবার (১০ জুলাই) ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান জানান, এ পরিকল্পনার প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে বর্তমানে প্রতিটি রাজ্যের ইমিগ্রেশন বিভাগের এনফোর্সমেন্ট শাখায় প্রশিক্ষিত ড্রোন অপারেটর প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও নজরদারি কার্যক্রম শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ২০২১ সালে ছোট আকারের কয়েকটি ড্রোন সংগ্রহের মাধ্যমে ইমিগ্রেশন বিভাগে ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে ক্রমবর্ধমান আইন প্রয়োগকারী অভিযানের প্রয়োজন বিবেচনায় আরও ড্রোন সরঞ্জাম যুক্ত করা হয়।
জাকারিয়া জানান, বর্তমানে দেশের সব ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট শাখা বিভিন্ন অভিযানে ড্রোন ব্যবহার করছে। এই প্রযুক্তি ইমিগ্রেশন বিভাগের সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে।
Advertisement
ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক বলেন, ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে অভিযান চলাকালে আকাশপথে নজরদারি করা, কর্মকর্তাদের ঝুঁকি কমানো ও পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা বা লুকিয়ে থাকা সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা সহজ হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, অভিযানের স্থান ও প্রয়োজনীয়তার ওপর নির্ভর করে প্রায় সব ধরনের ইমিগ্রেশন অভিযানে ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে।
নির্মাণ সাইটে অভিযান পরিচালনাএদিকে পেনাং রাজ্যের বান্দার তাসেক মুতিয়ারা এলাকায় একটি নির্মাণ সাইটে মেগা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পরিচালিত এ অভিযানে বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা অংশ নেন। অভিযানটি পরিচালনা করে পেনাং রাজ্য ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএমপিপি)।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্মাণ সাইটে কর্মরত বিদেশি নাগরিক ও নিয়োগকর্তাদের বৈধ কাগজপত্র যাচাই করা এবং ইমিগ্রেশন আইন, ইমিগ্রেশন রুলসসহ সংশ্লিষ্ট আইন লঙ্ঘনের ঘটনা শনাক্ত করা।
Advertisement
অভিযানে আইন ভঙ্গকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ইমিগ্রেশন বিভাগ। তবে এ অভিযানে কতজন অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে তা জানানো হয়নি।
পেনাং ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসী (পিএটিআই) নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়োগকর্তাদের দেশের আইন মেনে চলা নিশ্চিত করতে এ ধরনের সমন্বিত অভিযান ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়া হবে।
সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, বিভিন্ন সরকারি সংস্থার মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে আইন প্রয়োগ কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে এবং জননিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
একিউএফ/জেআইএম