দেশজুড়ে

মৌলভীবাজার থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে এনসিপির নেতারা

মৌলভীবাজার থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউজ থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

Advertisement

মৌলভীবাজার জেলা এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এহসান জাকারিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা বুধবার রাতে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউজে অবস্থান করেন। বৃহস্পতিবার দলের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে তারা সিলেটের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

আরও পড়ুন হবিগঞ্জের পথে ট্রাক-ব্যারিকেড, সকালে সিলেট যাবেন এনসিপি নেতারা

এর আগে গতকাল রাতে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ ক্যাম্পে অভিযোগ করে রাতে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউজে চলে আসেন।

Advertisement

এর আগে, বুধবার বিকেল ৩টার দিকে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউজ থেকে ১৪৪ ধারার মধ্যে হবিগঞ্জের উদ্দেশে গাড়ি বহর নিয়ে রওয়ানা হন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। প্রথমে, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এনসিপির গাড়ি বহর শায়েস্তাগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সড়কের শ্রীমঙ্গল ‘চা-কন্যা’ ভাস্কর্য এলাকায় আসলে পুলিশ সড়ক ব্যারিকেড দিয়ে গাড়িবহরের গতিরোধ করে।

আরও পড়ুন অবশেষে জেলা ছাত্রদল সভাপতিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা এনসিপির

এসময় খালি ট্রাক সড়কের উপর রাখে পুলিশ। একপর্যায় পুলিশের সাথে তুমুল বাগ্‌বিতণ্ডায় হয় দলের কেন্দ্রীয় নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমসহ দলের নেতাকর্মীদের।

একপর্যায়ে, পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। পরে পুলিশকে ঠেলে গাড়িবহর সামনে নিয়ে আসেন এনসিপির নেতাকর্মীরা। তবে কিছু দূর যাওয়ার পর হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার রশিদপুর গ্যাস ফিল্ড এলাকায় ফের পুলিশের বাঁধায় আটকা পরে গাড়ি বহর। পুলিশের বাধা অতিক্রম করে সেখান থেকে একটু দূরে যাওয়ার পর কামাইছড়া এলাকায় ফের পুলিশের ব্যারিকেডে আটকা পড়েন এনসিপির গাড়িবহর।

আরও পড়ুন ছাত্রদল-এনসিপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি: হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি

এসময় গাড়ি থেকে নেমে রাস্তায় বসে পড়েন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর পুলিশ এনসিপির নেতৃবৃন্দকে কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ করার অনুমতি প্রদান করে।

Advertisement

পরে রাত আটটায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ করেন।

আরও পড়ুন ১৪৪ ধারা জারির মধ্যেও হবিগঞ্জ যাচ্ছেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা

এসময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী, দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, ডা. মাহমুদা মিতু ও সারোয়ার আলম।

হবিগঞ্জে এনসিপির জুলাই পদযাত্রায় হামলার ঘটনায় হবিগঞ্জ জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক তন্ময় তাহের রুবেল বাদি হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহমেদকে প্রধান আসামি করে ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আরও ১০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি দেওয়া হয়েছে। এখানে সবাই জি কে গউছ এর অনুসারী। মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ল্যাপটপ ও ২০ লাখ টাকার যন্ত্রপাতি নিয়ে গেছে। নগদ ৫ লাখ টাকা ও ৫০ লাখ টাকার গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।

মাহিদুল ইসলাম/কেজে/জেআইএম