রাজশাহীর পদ্মা নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর বাবা ও ছেলের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ।
Advertisement
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে দুর্ঘটনার পর বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে কুষ্টিয়া থেকে বাবার এবং দুপুরে রাজশাহীর পবা উপজেলা থেকে ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন- রাজশাহীর কাটাখালী থানার শ্যামপুর শান্তিনগর এলাকার বাসিন্দা ও নৌকার মাঝি কাওসার আলী (৬০) এবং তার ছেলে জিয়ারুল হক।
আরও পড়ুন রাজশাহীতে নৌকা ডুবে বাবা-ছেলে নিখোঁজরাজশাহী নৌ অঞ্চলের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
Advertisement
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ২৮ জুলাই পদ্মায় নৌকাডুবির পর থেকেই নিখোঁজদের উদ্ধারে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ পুলিশ যৌথভাবে তল্লাশি অভিযান চালায়। তবে নদীতে প্রবল স্রোত থাকায় মরদেহ দুটি দুর্ঘটনাস্থল থেকে অনেক দূরে ভেসে যায়।
বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে কুষ্টিয়ার বাংলাবাজার, পাকশী সেতু-সংলগ্ন পদ্মা নদীতে কাওসার আলীর মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে নৌ পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। একই দিন বেলা ১টার দিকে রাজশাহীর পবা উপজেলার সাতবাড়িয়া চর এলাকার পদ্মা নদী থেকে ছেলে জিয়ারুল হকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার করা মরদেহ দুটি প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার দুপুরে চর মাজারদিয়ার এলাকা থেকে আটজন যাত্রী এবং ঝাউগাছ বোঝাই করে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা লালন শাহ মুক্তমঞ্চের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। নৌকাটি পদ্মার মাঝনদীতে পৌঁছালে প্রবল ঢেউয়ের কবলে পড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডুবে যায়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় ছয় যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও নৌকার মাঝি কাওসার আলী ও তার ছেলে জিয়ারুল হক নিখোঁজ হন। এরপর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ পুলিশ নদীজুড়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দুই দিন পর তাদের মরদেহ উদ্ধার হয়।
Advertisement
মনির হোসেন মাহিন/এনএইচআর/জেআইএম