সাতক্ষীরার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শারমিন আক্তারকে চাকরি দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। রাজধানীর এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডে (ইডিসিএল) ‘কনিষ্ঠ কর্মকর্তা’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তাকে। আগামী ২ আগস্ট কর্মস্থলে যোগদান করবেন তিনি।
Advertisement
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শারমিন আক্তারের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন হাত নেই, মুখে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে নিয়োগপত্র নিলেন আয়শাএর আগে গত ২৬ জুলাই সাতক্ষীরা জেলায় হাসপাতাল পরিদর্শনকালে প্রতিবন্ধী শারমিন আখতার স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে একটি চাকরি প্রার্থনা করেন। মন্ত্রী তাকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। শারমিনের গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পশ্চিম কৈখালী গ্রামে। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাস করেছেন।
এদিকে নিয়োগপত্র পেয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শারমিন আক্তার।
Advertisement
কান্নাজড়িত কণ্ঠে গণমাধ্যমে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী আমার অবস্থা জানার পরে নিজ দায়িত্বে আমাকে চাকরি দেওয়ার ওয়াদা করেছিলেন এবং ওয়াদা অনুযায়ী খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে আমার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। এখন আমি আমার অসহায় ফ্যামিলির পাশে দাঁড়াতে পারবো। এজন্য আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
আরও পড়ুন শুধু নিরাময় নয়, রোগ প্রতিরোধে মনোযোগ দিতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রীস্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, তিনি (শারমিন আক্তার) খুবই অসহায়। তার পরিবারে কর্মক্ষম কেউ নেই, তিনি উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। আমি তার পরিবারের অবস্থা জানার পর ওয়াদা করেছিলাম, তাকে চাকরি দেবো। তাকে ইডিসিএলে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ছয় মাস শিক্ষানবিশকাল পার করার পর তার চাকরি স্থায়ী হবে। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।
এ সময় ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের প্রতিবন্ধীদের পাশে থাকতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করছে সরকার। প্রতিটি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে পুনর্বাসন করা হবে। সেইসঙ্গে যার যার যোগ্য ও মেধা অনুযায়ী কর্মস্থলের ব্যবস্থা করা হবে।
এসইউজে/এমএমকে
Advertisement