শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, তারেক রহমানের সরকার শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। সরকার এই বছর শিক্ষা খাতে ২ শতাংশ বাজেটে দিয়েছেন। যেখানে গত বছর বাজেট ছিল মাত্র ২৭ হাজার কোটি টাকা। এই বছর আমরা পেয়েছি এক লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা।
Advertisement
শনিবার (১ আগস্ট) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের সেন্ট্রাল ওরিয়েন্টেশনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন আগামীতে শিক্ষা খাতের বাজেট জিডিপির ৫ শতাংশ পর্যন্ত উন্নীত করবেন। আমরা চাই ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় একটি 'সেন্টার অফ এক্সিলেন্স' হবে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি আন্তর্জাতিক মানের হবে। এবং সেজন্য আমরা এই বাজেট থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব।
তিনি আরও বলেন, আমাদের সময় শেষ। এখন বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব তোমাদের। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাটানো এই প্রতিটি মুহূর্ত অত্যন্ত মূল্যবান। এটিই তোমাদের জীবনের মূল শক্তি ও ভিত্তি। শুধু পরিবার বা জাতি নয়, পুরো দেশ তোমাদের ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আছে।
Advertisement
এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াও শিক্ষার প্রসারে কাজ করেছেন। সরকারের পক্ষ থেকে তোমাদের শিক্ষা, গবেষণা ও কারিকুলাম উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। পড়াশোনার কোনো বিকল্প নেই। সময়কে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে দেশ গড়ার প্রত্যয় নাও।
আরও পড়ুন শিক্ষামন্ত্রীর এক প্রশ্নে ‘নাজেহাল’ শিক্ষক নেতারাবিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনূর রহমানের সভাপতিত্বে প্রোগ্রামে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, সদস্য ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল এবং মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ উন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্পর্ক অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আলম।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক, মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেনসহ অন্য শিক্ষক, কর্মচারী-কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা।
ইরফান উল্লাহ/এসজেডএইচ/এএসএম
Advertisement