দেশজুড়ে

মোবাইলে গেম খেলা নিয়ে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে জখম

রাজশাহীর বাঘার চন্ডিপুর এলাকায় মোবাইল গেম খেলাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে এক বিএনপি কর্মীকে অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখমের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ফরিদ মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

Advertisement

আহত বিএনপি কর্মীর নাম মো. লাচ্চু (৪০)। তিনি বাঘা উপজেলার চন্ডিপুর এলাকার বাসিন্দা। গ্রেফতার ফরিদ মণ্ডল একই গ্রামের মৃত মাছের প্রামাণিকের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১ আগস্ট) রাত পৌনে ৮টার দিকে চন্ডিপুর বাজারে পল্লী চিকিৎসক জহুরুল ইসলামের দোকানের সামনে লাচ্চুর ওপর একদল যুবক অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় অস্ত্রের আঘাতে তার মাথায় গুরুতর জখম হয়। স্থানীয়রা তাকে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মাথায় ১২টি সেলাই দেন।

এ ঘটনায় আহত লাচ্চুর ছেলে পিয়াস আলী বাদী হয়ে রোববার বাঘা থানায় মামলা করেন। মামলায় চন্ডিপুর গ্রামের আজিদুলের ছেলে রবিন, শাহজাহানের ছেলে আল-আমিন, জমসেদের ছেলে হালিম, ফরিদ মণ্ডলসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১২ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

Advertisement

আরও পড়ুন বিএনপির কর্মী মনে করে বাড়িতে ঢুকে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, চন্ডিপুর মাঠে গেম খেলা নিয়ে প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে প্রতিপক্ষের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে লাচ্চুর ওপর হামলা চালায়। স্থানীয়দের দাবি, অনলাইনভিত্তিক ‘ফ্রি ফায়ার’ মোবাইল গেমকে কেন্দ্র করেই বিরোধের সূত্রপাত।

বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেরাজুল হক বলেন, রোববার (২ আগস্ট) রাতে অভিযান চালিয়ে ফরিদকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার (৩ আগস্ট) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ সোমবার বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে আহত লাচ্চুর চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।

ঘটনার পর চন্ডিপুর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাঘা থানা-পুলিশ।

Advertisement

মনির হোসেন মাহিন/এসজেডএইচ/এএসএম