সকাল থেকেই সড়কে গাড়ির জট না থাকলেও দুপুরের পর বেড়েছে যানবাহনের চাপ। বিশেষ করে ঐতিহাসিক ও বিনোদন স্পটের আশপাশে যানবাহনের চাপ বেশি। খামার বাড়ি থেকে বিজয় সরণি পর্যন্ত ব্যক্তিগত যানবাহন ও বাসের জট দেখা গেছে। মূলত জিয়া উদ্যানে দর্শনার্থীর আগমন ও প্রস্থানকে কেন্দ্র করে এই জটের সৃষ্টি হয়েছে।
Advertisement
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে জিয়া উদ্যানে দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা যায়। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রিকশা, মোটরসাইকেল ও গাড়িতে করে আসছেন অনেকেই। বিজয় সরণি মোড়ে নেমে হেঁটে জিয়া উদ্যানের দিকে যাচ্ছেন তারা।
কথা হয় মশিউর নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, খামারবাড়ি থেকে পুরোটা পথে যানজট। বাধ্য হয়েই জিয়া উদ্যান পর্যন্ত হেঁটে আসতে হয়েছে।
জিয়া উদ্যানে গিয়ে দেখা যায়, অনেকেই পরিবারসহ এসেছেন, কেউ কেউ আবার এসেছেন বন্ধুদের সঙ্গে। কেউ ছবি তুলছেন, কোথাও আবার কয়েকজন জড়ো হয়ে আড্ডা দিচ্ছেন, কেউ কেউ আবার ঘুরে দেখছেন।
Advertisement
আরও পড়ুননাগরদোলায় চড়ে ছোট্ট রূপকথার যেন আনন্দের শেষ নেই রমনা পার্কে বর্ষবরণের বর্ণিল আয়োজন
দেখা যায় হকারদেরও। কাচের চুড়ি, খেলনা, প্লাস্টিকের ফুল, হরেক রকমের খাবার বিক্রি করছিলেন তারা। দুপুরের দিকে হকাররা জানান, এখন কড়া রোদ থাকায় দর্শনার্থীর সংখ্যা কম। বিকেলে রোদ পড়লে আরও বাড়বে।
মোহাম্মদপুর থেকে বান্ধবীদের নিয়ে এসেছেন নারগিস আলম। সবার পরণে লাল শাড়ি। জাগো নিউজকে নারগিস বলেন, খোলামেলা পরিবেশে সবাইকে নিয়ে এলাম। এসেছি মূলত ছবি তুলতে। ছবি তোলা শেষ করে বাসায় চলে যাবো।
বিজয় সরণি থেকে কিছু দূরেই বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র। সেখানে চলছে বৈশাখী মেলা। ওই মেলা থেকেও কয়েকজন এসেছেন। তাদের কারও হাতে চরকি, কারও হাতে ফুলের তোড়া।
Advertisement
পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসেছেন নিয়াজ মাহমুদ। সংসদ ভবনের লেকে জাগো নিউজের সঙ্গে কথা হয় তার। নিয়াজ মাহমুদ বলেন, কড়া রোদ। বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের মেলায় বেশিক্ষণ থাকতে পারিনি। এখানে এলাম গাছের ছায়ায় বসে পরিবার নিয়ে সময় কাটাবো।
কথা হয় চুড়ি বিক্রেতা আনিকার সঙ্গে। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, বেচাকেনা ভালোই হচ্ছে। বিকেলের দিকে বেচাকেনা আরও বাড়বে।
এসএম/কেএসআর