জাতীয়

‘নীরব এলাকায়’ উচ্চমাত্রার হর্ন কানে পৌঁছে না কর্তৃপক্ষের

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক ঢাকঢোল পিটিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে ‘নীরব এলাকা’ ঘোষণা করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। তবে ‘ঘোষণায় সীমাবদ্ধ’ থাকার ফল হিসেবে ওই এলাকা সব সময় উচ্চ হর্নে থাকে সরব! চলাচলকারীদের কান ঝালাপালা হলেও শব্দ কানে পৌঁছে না নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের।

Advertisement

এছাড়া বিভিন্ন সময়ে রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, নিকেতন, আগারগাঁও ও সচিবালয়, সংসদ ভবন, রমনার যমুনা ভবনের (সাবেক প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়) চারপাশ ‘নীরব এলাকা’ ঘোষণা করেছিল সরকার। কোনো এলাকায়ই এ ঘোষণা বাস্তবায়ন হয়নি। সড়কে যাতায়াতের সময় কারণে-অকারণে হর্ন বাজাচ্ছেন সব চালক। ঘোষণা থাকলেও নিয়ন্ত্রণে অন্তর্বর্তী সরকারের কঠোর কোনো পদক্ষেপ ছিল না। সদ্য ক্ষমতা নেওয়া বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারও প্রথম মাসে এখন পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

২০২৪ সালের ১ অক্টোবর বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সামনে ‘নীরব এলাকা’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এর কিছুদিন পর ঢাকার অন্য আরও চারটি স্থানে একই কর্মসূচি চালু করেন। পরে তা কার্যকরে সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালানো হয়। কিন্তু আদতে তা কোনো ফল দেয়নি।

সচিবালয় এলাকায় সাইনবোর্ড

Advertisement

নগরবাসীর অভিযোগ, নীরব এলাকা কর্মসূচি উদ্বোধনের পর থেকে এখন পর্যন্ত শব্দদূষণে অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। আগের মতোই কারণে-অকারণে হর্ন বাজিয়ে চলছেন চালকরা। আইনের প্রয়োগ ছাড়া এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। জেল-জরিমানা না করে শুধু শুধু ঘোষণা দেওয়ার কোনো মানে নেই।

তবে চালকদের দাবি, ঢাকা শহরে সড়কে হর্ন ছাড়া যানবাহন চালানো সম্ভব নয়। কারণ, সড়কে পথচারীরা ট্রাফিক শৃঙ্খলা মানেন না। আবার সড়কের কোথাও জেব্রা ক্রসিং বা ট্রাফিক সিগন্যাল নেই। ফলে যত্রতত্র সড়ক পার হন পথচারীরা। এমন পরিস্থিতিতে হর্ন না দিলে দুর্ঘটনা আরও বাড়বে।

‘নীরব এলাকায়’ যা দেখা গেলো

২০২৪ সালের ১ অক্টোবর শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা, ২০০৬ এর বিধি-৪ অনুযায়ী হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকা ও তার উত্তর-দক্ষিণে দেড় কিলোমিটার (স্কলাস্টিকা স্কুল থেকে হোটেল লা মেরিডিয়ান পর্যন্ত) এলাকাকে ‘নীরব এলাকা’ ঘোষণার নির্দেশ দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। উপদেষ্টার নির্দেশনা বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেয় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক), ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি), পরিবেশ অধিদপ্তর, সড়ক বিভাগ, ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি।

নীরব এলাকা' ঘোষণার আগে সরকারের পক্ষ থেকে সমন্বিত কর্মসূচি পালনের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু আমরা দেখেছি, কোথাও কোনো সমন্বয় ছিল না। অনেক অংশীজনের অংশীদারত্বও ছিল না। ফলে নীরব এলাকা সুফল পায়নি।-ক্যাপসের চেয়ারম্যান আহমদ কামরুজ্জামান

Advertisement

সম্প্রতি সরেজমিনে ওই এলাকায় গিয়ে কাউকে এ নিয়ম মানতে দেখা যায়নি। যে যেভাবে পারছেন প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে হর্ন বাজিয়েই চলছেন। বাস-মোটরসাইকেল হর্ন বাজানোয় এগিয়ে। তবে কত মাত্রায় তারা হর্ন বাজাচ্ছেন তা নির্ণয় করা কিংবা তদারকি করার কাউকেও দেখা যায়নি।

হর্ন যে মাত্রাতিরিক্ত শব্দ তৈরি করে বাজানো হচ্ছে সেটা যে কোনো মানুষ উপলব্ধি করবে। অথচ দেখা যায়, উত্তরার স্কলাস্টিকা পয়েন্ট এলাকার ফুটপাতের ওপর একটি স্টিলের খুঁটিতে টাঙানো বোর্ডে লেখা ‘নীরব এলাকা শুরু: ঢাকা সড়ক বিভাগ’। একইভাবে দক্ষিণে লা মেরিডিয়ান পয়েন্টের সামনে নীরব এলাকার শুরু লেখা বিভিন্ন বোর্ড রয়েছে। কিন্তু এ সড়কের কোথাও হর্ন ছাড়া গাড়ি চলতে দেখা যায়নি। এর মধ্যে শাহজালাল বিমানবন্দরে প্রবেশপথের সামনে বেশি হর্ন বাজাতে দেখা যায়।

শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকা সংলগ্ন এলাকায় নির্দেশনা

সকালে মালয়েশিয়া থেকে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে নামেন ময়মনসিংহের আবু তাহের। বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে মাথায় লাগেজ নিয়ে যান বিমানবন্দর রেলস্টেশনে। এসময় স্টেশনের সামনে পদচারী সেতুতে কথা হলে তিনি বলেন, ‘বিমানবন্দরের ক্যানপি থেকে রেলস্টেশনের দূরত্ব ৪০০ মিটার হবে। এ দূরত্বে হেঁটে গেলে ১০-১৫ মিনিট লাগে। এ সময়ে যে পরিমাণ বাসের হর্ন শুনেছি, তা মালয়েশিয়ায় এক বছরেও শুনিনি। অথচ বছরখানেক আগে খবরে দেখেছিলাম, বিমানবন্দর এলাকা নাকি নীরব ঘোষণা করেছিল সরকার।’

সকাল ১০টা। সচিবালয়, রমনায় অফিসমুখী যানবাহনের চাপ। কার আগে কে নিজ গন্তব্যে যাবেন, সড়কে যানবাহনে এমন প্রতিযোগিতা চলছে। দেখা যায়, এলাকা দুটির সড়কে ক্রমাগত হর্ন বাজাচ্ছেন অন্য যানবাহনের চালকরা। অথচ সড়কের পাশের বোর্ডে লেখা ‘নীরব এলাকা’। এ নির্দেশনা কাউকে মানতে দেখা যায়নি।

নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। আমরা শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের সংশ্লিষ্টদের ব্রিফ করেছি। সামনে দৃশ্যমান কিছু দেখবেন।-পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (সদর দপ্তর) মো. জিয়াউল হক 

ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালান নাসের উদ্দিন। সচিবালয়ের পশ্চিম পাশের সড়কে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘সড়কে যানবাহনের হর্নের শব্দে মাথাব্যথা হয়ে যায়। রাতে বাসায় গিয়ে ঘুমালেও এ ব্যথা যায় না। সকালে আবার জীবিকার তাগিদে রাস্তায় বের হতে হয়। কিন্তু কোনো ক্রমেই এ শব্দদূষণ থেকে মুক্তি মিলছে না।’

তিনি বলেন, ‘নিজেও মোটরসাইকেল চালানোর সময় হর্ন ছাড়া চালানো প্রায় অসম্ভব। কারণ, কোথাও কোনো ট্রাফিক নিয়ম কেউ মানে না। পথচারী যত্রতত্র রাস্তা পার হন। যানবাহন ট্রাফিক সিগন্যাল মানে না। যদি ট্রাফিক সিগন্যাল, জেব্রা ক্রসিং নিশ্চিত করা হতো তাহলে হর্ন না বাজিয়ে চলা সহজ হতো।’

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নীরব এলাকায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতামূলক কর্মসূচি পালন করেছিল গ্রিন ভয়েস নামে একটি সংগঠন। এ সংগঠনের সমন্বয়ক আলমগীর কবির জাগো নিউজকে বলেন, ‘নীবর এলাকাগুলোতে জনসচেতনতা তৈরিতে আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। কিন্তু নানা কারণে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এখন সরকারের কঠোর পদক্ষেপ ছাড়া এটি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকার মধ্যে শব্দদূষণে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে বাস, ব্যক্তিগত যান ও মোটরসাইকেল। এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা গেলে নগরবাসী উপকৃত হবে।’

জানতে চাইলে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘শাহজালাল বিমানবন্দরসহ নীরব এলাকাগুলোতে হর্ন না বাজাতে সংশ্লিষ্ট রুটে চলা সব বাস মালিক এবং চালককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অনেক বাসচালক নিয়ম মেনেই সেখানে গাড়ি চালাচ্ছেন। আশা করি ক্রমান্বয়ে হর্ন কমে আসবে।’

আইনে যা আছে

শব্দদূষণ বিধিমালা-২০০৬ অনুযায়ী, আবাসিক এলাকায় রাত ৯টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত শব্দের মাত্রা ৪৫ ডেসিবেল এবং দিনের অন্য সময় ৫৫ ডেসিবেল অতিক্রম করতে পারবে না। বাণিজ্যিক এলাকায় তা যথাক্রমে ৬০ ও ৭০ ডেসিবেল। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালতের আশপাশে ১০০ মিটার পর্যন্ত নীরব এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

সচেতনতামূলক প্রচারণা

এই আইনে শাস্তি হিসেবে বলা আছে, আইন অমান্য করলে প্রথমবার অপরাধের জন্য এক মাস কারাদণ্ড বা অনধিক পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড এবং পরবর্তী অপরাধের জন্য ছয় মাস কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

যা বলছে গবেষণা

জানা যায়, পরিবেশ অধিদপ্তর সারাদেশে ১২টি নীরব এলাকা ঘোষণা করে। ঢাকায় পাঁচটি নীরব এলাকা রয়েছে। সবশেষ যুক্ত হয়েছে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা। আগে নীরব এলাকা ঘোষণা করা হয় সচিবালয়, আগারগাঁও, সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এলাকা।

বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্রের (ক্যাপস) একটি গবেষণায় দেখা যায়, নীরব এলাকার কোনোটিতেই আইন অনুযায়ী ‘নীরব এলাকা’ বাস্তবায়ন হয়নি। সবগুলোতেই শব্দের মাত্রা বেশি পাওয়া গেছে। গবেষণায় দেখা যায়, নীরব এলাকা সচিবালয়ের ১২টি লোকেশনে শব্দের মাত্রা গড়ে ৭৯ দশমিক ৫ ডেসিবেল। জাতীয় সংসদ এলাকায় ৭১ দশমিক ৮৬ ডেসিবেল, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় এলাকায় ৭৫ দশমিক ৫৮ ডেসিবেল ও আগারগাঁও এলাকায় ৭২ দশমিক ৮৬ ডেসিবেল।

আরও পড়ুন

শাহজালাল বিমানবন্দরকে নীরব এলাকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হবেঢাকার ৪ অভিজাত আবাসিক এলাকাকে ‘নীরব এলাকা’ ঘোষণানামেই ‘নীরব এলাকা’, ক্রমাগত বাজছে অতিমাত্রার হর্নসচিবালয় এখন ‘নীরব এলাকা’, হর্ন বাজালে কাল থেকে শাস্তি

পরিবেশবাদী সংগঠন পরিজার এক গবেষণায় দেখা যায়, আগে নীরব এলাকায় দিনে ৮৪ দশমিক ৫ থেকে ১০১ দশমিক ৭ ডেসিবেল এবং রাতে ৯৬ দশমিক ৪ থেকে ১০১ দশমিক ৫ ডেসিবেল শব্দের মাত্রা পাওয়া গেছে। আবাসিক এলাকায় দিনে ৮২ থেকে ৯১ ডেসিবেল এবং রাতে ৮৩ থেকে ৯১ দশমিক ৬ ডেসিবেল শব্দের মাত্রা পাওয়া গেছে।

স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও ক্যাপসের চেয়ারম্যান আহমদ কামরুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, 'নীরব এলাকা' ঘোষণার আগে সরকারের পক্ষ থেকে সমন্বিত কর্মসূচি পালনের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু আমরা দেখেছি, কোথাও কোনো সমন্বয় ছিল না। অনেক অংশীজনের অংশীদারত্বও ছিল না। ফলে নীরব এলাকা সুফল পায়নি।’

তিনি বলেন, ‘শব্দদূষণের অন্যতম উৎস হলো হর্ন, এটি বন্ধ করতে পারলেই ঢাকা শহরের ৬০ শতাংশ শব্দদূষণ কমে যাবে। তাই কোথাও কোনো এলাকাকে নীরব ঘোষণা করতে হলে নগর পরিকল্পনাবিদ, পরিবেশবিদ, বাস মালিক-শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বয় জরুরি। তারা একসঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেবে, কীভাবে এটি বাস্তবায়ন করবে। আবার ঘোষণার পর তা কতেটা বাস্তবায়ন হলো, তার ফলোআপ করতে হবে। যদিও বিগত সময়ে তার কিছুই হয়নি। এখন নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা, তারা এটি বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবে।

যা বলছে নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো

ডিএসসিসির ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রাজীব খাদেম জাগো নিউজকে বলেন, ‘পরিবেশ অধিদপ্তর ও পুলিশের চাহিদা অনুযায়ী নির্দিষ্ট স্থানে হর্ন বাজানো নিষেধ সম্বলিত সাইনবোর্ড টানিয়েছে ডিএসসিসি। ওই সাইনে শব্দদূষণ বা হর্ন দিলে আইনে শাস্তির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু আইন প্রয়োগ বা জরিমানার বিষয়টি পরিবেশ অধিদপ্তর ও পুলিশ দেখে। তাদের কাছে শব্দ মাপার যন্ত্র রয়েছে।’

এ বিষয়ে ডিএনসিসির পরিবেশ, জলবায়ু ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবুল কাশেম বলেন, ‘শব্দদূষণ বিধিমালা অনুযায়ী নীরব এলাকা ঘোষণার দায়িত্ব ডিএনসিসির। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সাইনবোর্ড বসানো হয়। তবে পরিবেশের যৌথভাবে কোনো অভিযান থাকলে সেখানে ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ অন্য কর্মকর্তারা অংশ নেন।’

নীরব এলাকায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (সদর দপ্তর) মো. জিয়াউল হক জাগো নিউজকে বলেন, ‘নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। আমরা শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের সংশ্লিষ্টদের ব্রিফ করেছি। সামনে দৃশ্যমান কিছু দেখবেন।’

এমএমএ/এএসএ/ এমএফএ