ঢাকা মহানগরে কোনো অপরাধ যেন সংঘটিত হতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ার।
Advertisement
তিনি বলেন, জনবান্ধব পুলিশিং গড়ে তুলতে কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার করতে হবে। মানুষ যেন তাদের কাঙ্ক্ষিত আইনি সেবা থানা থেকে পায় তা নিশ্চিত করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে মার্চ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ডিএমপির ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকা মহানগরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। এই স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। ফুট পেট্রল জোরদার করতে হবে। থানা এলাকায় মাদক উদ্ধার ও পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেফতারে অভিযান পরিচালনা করতে হবে।
Advertisement
আরও পড়ুনতুমি সব বোঝো মানি, যতটুকু বোঝো না ততটুকুই আমি ৮৪ শতাংশ প্রান্তিক মানুষ চায় গণমাধ্যমে তাদের অধিকারের বিষয় উঠে আসুক
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, জনগণের প্রত্যাশা আমাদের ওপর অনেক। আমরা যেন তাদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারি, সেজন্য আরও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।
মাসিক অপরাধ সভায় মার্চ মাসে ঢাকা মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা বিধানসহ উত্তম কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ডিএমপির বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করেন ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার।
অপরাধ পর্যালোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মো. মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রটেকশন অ্যান্ড ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি) সানা শামীনুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি) মোহাম্মদ ওসমান গণি, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, উপ-পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার, সহকারী পুলিশ কমিশনার, ডিএমপির সব থানার ওসি ও বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তারা।
Advertisement
টিটি/কেএসআর