নতুন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা খুঁজে পেতে চীনে অনুষ্ঠিত ৬ষ্ঠ গুয়াংজু সোর্সিং ফেয়ারে যোগ দিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) প্রতিনিধিদল।
Advertisement
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এই ফেয়ারে ঢাকা চেম্বারের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরীর নেতৃত্বে সংগঠনটির প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ডিসিসিআই।
এ সোর্সিং ফেয়ারের অনুষ্ঠিত বিটুবি ম্যাচমেকিং সেশনে হার্ডওয়্যার ও টুলস, অটোমোবাইল, মোটরসাইকেল ও আনুষঙ্গিক পণ্য, গৃহস্থালী যন্ত্রপাতি এবং ভবন/নির্মাণ সামগ্রী প্রভৃতি খাতের ১৫০টি চীনা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ঢাকা চেম্বারের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ব্যবসা ও বিনিয়োগ বিষয়ক তথ্য আদান-প্রদানের সুযোপ পান।
আরও পড়ুনআরও ৫ কোটি ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক খাবার থেকে গ্যাজেট, কোথায় কোন পণ্য পাবেন
Advertisement
ফেয়ার উপলক্ষে আয়োজিত সাপ্লাইচেইন বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক আলোচনা সভায় ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বহুমাত্রিক অংশীদারত্ব বিদ্যমান, যা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, শিক্ষা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
তিনি জানান, গত অর্থবছরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণের ছিল ১৮ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যেখানে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ১৮ দশমিক ২০ বিলিয়ন ও ৬৯৪ দশমিক ৪৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। টেক্সটাইল ও টেক্সটাইলজাত পণ্য, যান্ত্রিক সরঞ্জাম, রাসায়নিক পণ্য, ধাতু, প্লাস্টিক, খনিজ ও উদ্ভিজ পণ্য প্রভৃতি খাতে চীনের উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান রাজিব এইচ চৌধুরী।
মতবিনিময় সভায় পলি জিনহান এক্সিবিশন, পলি ইভেন্টসের পরিচালক নিকোল ফ্যান বলেন, চীন এবং বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যকার সেতুবন্ধ তৈরিতে এ মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সামনের দিনগুলোকে আরও বেশি বাংলাদেশি উদ্যোক্তা এ সোর্সিং ফেয়ারে যোগদান করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ইএইচটি/কেএসআর
Advertisement