হরমুজ প্রণালিতে প্রায় ৫০ দিনের অবরোধ শুক্রবার আংশিক শিথিল হওয়ার পর এক ডজনের বেশি তেলবাহী জাহাজ প্রণালিটি অতিক্রম করে। তবে পরদিনই ইরান পুনরায় বিধিনিষেধ আরোপ করে এবং কিছু জাহাজের দিকে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।
Advertisement
বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাস সরবরাহ পুনরুদ্ধারের জন্য এই প্রণালির স্বাভাবিক কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক এনার্জি এজেন্সি একে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সরবরাহ বিঘ্ন হিসেবে উল্লেখ করেছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান প্রণালিটি খুলতে সম্মত হয়েছিল। তবে ইরানি কর্মকর্তারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে আগে তাদের ট্যাংকারের ওপর আরোপিত অবরোধ পুরোপুরি তুলে নিতে হবে।
শুক্র ও শনিবার যেসব জাহাজ চলাচল করেছে, সেগুলোর বেশিরভাগই ছিল পুরোনো এবং অ-পশ্চিমা মালিকানাধীন, যার মধ্যে নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা জাহাজও ছিল। ইরান সীমিতসংখ্যক জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছিল বলে আইআরজিসি জানায়।
Advertisement
তবে পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়। ব্রিটিশ নৌবাহিনী জানিয়েছে, ইরানি গানবোট কিছু জাহাজে গুলি চালিয়েছে। পাশাপাশি কিছু বাণিজ্যিক জাহাজ রেডিও বার্তা পেয়েছে যে প্রণালিটি আবার বন্ধ এবং কোনো জাহাজ চলাচলের অনুমতি নেই।
এদিকে কাতারের রাস লাফান থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী কয়েকটি জাহাজ প্রণালির দিকে এগোলেও অনিশ্চয়তার কারণে অনেক জাহাজ ফিরে যাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ও ইরানের পাল্টা নিয়ন্ত্রণের কারণে হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হতে পারে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে আরও চাপ তৈরি করবে।
সূত্র: আল-জাজিরা
Advertisement
এমএসএম