পাকিস্তানের নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন দফার আলোচনা আগামী সপ্তাহের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হতে পারে।
Advertisement
এদিকে বিমানবন্দর থেকে ইসলামাবাদের ‘রেড জোন’ এলাকায় যাওয়ার সড়ক সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে, যা নিরাপত্তা জোরদারের ইঙ্গিত দেয়।
সূত্রগুলো আরও জানায়, সেরিনা হোটেল ইসলামাবাদ ও ইসলামাবাদ ম্যারিওট হোটেলে নতুন বুকিং বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং অতিথিদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। গত ১১ এপ্রিল প্রথম দফার যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা সেরেনা হোটেলেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান উত্তেজনার মধ্যে সম্ভাব্য এই বৈঠক পরিস্থিতি প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
Advertisement
অন্যদিকে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে, কিন্তু উভয় দেশই একটি শান্তি চুক্তি থেকে অনেক দূরে আছে। যদিও ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে ‘অত্যন্ত ভালো আলোচনা’ চলছে এবং তিনি হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইরানকে কোনা ‘ব্ল্যাকমেইল’ করতে দেবেন না। খবর বিবিসির।
এদিকে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ইরানের জাহাজ ও বন্দরের ওপর মার্কিন অবরোধ না তোলা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছে যে, যুদ্ধজাহাজ রুশমোর (এলএসডি-৪৭) জাহাজে অবস্থানরত নাবিক ও মেরিনরা আরব সাগরে নৌ অবরোধ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সেন্টকম এই বাহিনীর প্রস্তুতির কিছু ছবিও প্রকাশ করেছে।
সমঝোতার আশা জাগিয়েও ফের গভীর অনিশ্চয়তায় পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনৈতিক সম্পর্ক। তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বন্দর অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে না। অন্যদিকে ওয়াশিংটনও তাদের ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের নীতিতে অটল। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
Advertisement
সূত্র: আল-জাজিরা
এমএসএম