সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ ধারাবাহিকভাবে ভালো করে আসছে। বিশেষ করে পেসাররা লম্বা সময় নিজেদের ছন্দ ধরে রেখেছেন। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ে দেখা যাচ্ছে বোলাররা ভালো করলেও ব্যাটারদের লাগাতার ব্যর্থতায় জেতা ম্যাচও হারতে হচ্ছে টাইগারদের। একজন বোলার হিসেবে ব্যাটারদের এমন ব্যর্থতায় আক্ষেপ হয় কিনা প্রশ্নে শরিফুল সরাসরি কিছু না বললেও হতাশা ঠিকই প্রকাশ পেলো।
Advertisement
গত শুক্রবার সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডকে ২৪৭ রানেই আটকে রাখেন বাংলাদেশের বোলাররা। কিন্তু সেই রানও তাড়া করতে পারেননি ব্যাটাররা, স্বাগতিকরা ম্যাচ হারে ২৫ রানে। আগামীকাল মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সকাল ১১টায় মাঠে গড়াবে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে। সিরিজে টিকে থাকতে এই ম্যাচ জয়ের কোনো বিকল্প নেই বাংলাদেশের জন্য।
তবে এই ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনেও ঘুরেফিরে প্রথম ম্যাচ হারের প্রসঙ্গই উঠলো বারবার। গেলো ২ বছরে সর্বোচ্চ ১১৪ রান তাড়া করেছে বাংলাদেশ। লক্ষ্যটা ২০০ পার হলেই যেন হার নিশ্চিত হয়ে টারদের দের। যেখানে বোলাররা নিয়মিত ভালো করছেন। ফলে ম্যাচ শেষে বোলিং ইউনিট হিসেবে আক্ষেপ হয় কিনা প্রশ্নে শরিফুল বলেন, ‘আসলে আক্ষেপের কোনো কিছু নাই যদি আমরা হেরে যাই আমাদেরও খারাপ লাগে ব্যাটসম্যানদেরও খারাপ লাগে।’
বরং এখানেও ব্যাটারদের আগলে রাখলেন শরিফুল, ‘এখানে আমরা যদি আরও একটু ভালো বোলিং করতাম হয়তো তাদের (ব্যাটাসম্যান) জন্য সহজ হতো। ইনশাআল্লাহ পরের ম্যাচে ব্যাটসম্যানরা খুব ভালো করবে আমাদের সাপোর্ট দিবে আমরাও তাদের সাপোর্ট দেব দলগতভাবে আমরা ম্যাচ জেতাবো। ক্রিকেট খেলায় এরকম আসেই এক ইউনিট ভালো করে অন্য ইউনিট একটু ফেইল করে। আমরা আশাবাদী যে পরের ম্যাচে ইনশাল্লাহ ভালো করব।’
Advertisement
তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মিডল অর্ডার ব্যাটাররা যখন ৭০-৮০ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করে এটা দলে ইমপ্যাক্ট ফেলে। সেক্ষেত্রে ব্যাটসম্যানদের অ্যাপ্রোচ চেঞ্জ করা দরকার কিনা প্রশ্নে শরিফুল বলেন, ‘অবশ্যই তারা কাজ করতেছে হয়তো বেশিরভাগ সময় ফেইল হচ্ছে কিন্তু ফেইল হওয়ার পর সবার আশা থাকে সাফল্য আসবে, ইনশাল্লাহ আসবে।’
এসকেডি/আইএন