দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে। এবার এই বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ৮১ হাজার ৮৫৪ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। গত বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ৪২০ জন। সে হিসেবে এবার ৫৬৬ জন পরীক্ষার্থী কমেছে।
Advertisement
শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বোর্ড প্রতিষ্ঠার পর এটি ১৮তম এসএসসি পরীক্ষা। ২০০৯ সালে প্রথমবারের মতো দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
আগামী ২১ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে এবং শেষ হবে ২০ মে।
দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. বোরহান উদ্দিন জানান, রংপুর বিভাগের ৮ জেলার ২ হাজার ৮১০টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশ নেবে। মোট ২৮৩টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছাত্র ৯২ হাজার ৬৯২ জন এবং ছাত্রী ৮৯ হাজার ১৬২ জন।
Advertisement
পরীক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়মিত ১ লাখ ৩৭ হাজার ২৮৬ জন, অনিয়মিত ৪৪ হাজার ৫৬৮ জন এবং জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থী রয়েছে ১৯০ জন।
বিভাগভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিজ্ঞান বিভাগে ৯৯ হাজার ৬৭১ জন (ছাত্র ৫২ হাজার ৮৩১, ছাত্রী ৪৬ হাজার ৮৪০), মানবিক বিভাগে ৮০ হাজার ২০৮ জন (ছাত্র ৩৮ হাজার ৫০৪, ছাত্রী ৪১ হাজার ৭০৪) এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১ হাজার ৯৭৫ জন (ছাত্র ১ হাজার ৩৫৭, ছাত্রী ৬১৮) পরীক্ষায় অংশ নেবে।
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুহা. তৌহিদুল ইসলাম জানান, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং কেন্দ্র সচিবের কক্ষ থেকে প্রতিটি পরীক্ষার কক্ষ পর্যবেক্ষণ করা হবে।
তিনি আরও জানান, কোনো ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরীক্ষা পরিচালনায় বোর্ডের কর্মকর্তা ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সমন্বয়ে ৭টি ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হয়েছে, তারা যেকোনো কেন্দ্রে আকস্মিক পরিদর্শন চালাবে।
Advertisement
এছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে সাধারণ মানুষের চলাচল সীমিত রাখতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক মাইকিং করা হয়েছে। পরীক্ষার চলাকালীন ফটোকপি ও কম্পিউটার দোকানগুলো বন্ধ থাকবে এছাড়া সার্বক্ষণিক নিরাপত্তায় থাকবে পুলিশ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
এমদাদুল হক মিলন/এনএইচআর/এএসএম