জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া সংগঠন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ভাঙনের সুর। নেতৃত্ব সংকট ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের মধ্যে কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। গঠন করা হয়েছে পাঁচ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ। অভিযোগ উঠছে কোটি টাকা লুটপাটের।
Advertisement
সংগঠনটির সভাপতি রিফাত রশিদ ও দপ্তর সম্পাদক শাহাদাত হোসেনসহ কয়েকজন শীর্ষ নেতা নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেওয়ার পরই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
জানা যায়, চলমান কমিটির মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা সংগঠন ছেড়ে রাজনৈতিক দলে যুক্ত হওয়ায় সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি বৈঠকে কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত করে একটি অন্তর্বর্তীকালীন উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে সংগঠনের একটি অংশ এ সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে। তাদের দাবি, এভাবে কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে দেওয়ার এখতিয়ার কারও নেই। তারা এটিকে ‘অগণতান্ত্রিক ও একতরফা সিদ্ধান্ত’ হিসেবে উল্লেখ করেন। এছাড়া সংগঠনের ভেতরে আর্থিক অনিয়ম নিয়েও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সংগঠনের শীর্ষ কয়েকজন নেতা দাবি করেন, কোটি টাকার বেশি অর্থ লুটপাটের অভিযোগ ওঠার পরই শীর্ষ কয়েকজন নেতা সংগঠন থেকে সরে গিয়ে রাজনৈতিক দলে যোগ দিয়েছেন, যাতে বিষয়টি আড়াল করা যায়।
আগামীকালের মধ্যেই প্রেস ব্রিফিং করবো। আমরা জেলা ইউনিটগুলোর সঙ্গে কমিউনিকেট করছি। টাকা আত্মসাতের বিস্তারিত প্রেস ব্রিফিং করে বলবো। কিন্তু এখানে বড় একটা অ্যামাউন্ট মানে কোটির ওপর একটা অ্যামাউন্ট লুটপাট হয়েছে।-সিনথিয়া জাহীন আয়েশা
Advertisement
শুরু থেকেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নিজেদের একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচয় দিয়ে এলেও সংগঠনের ভেতরে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ নতুন করে সামনে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, এনসিপির শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা দীর্ঘদিন ধরেই সংগঠনের কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করে আসছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে সংগঠনটির ভবিষ্যৎ কার্যক্রম ও নেতৃত্ব কাঠামো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
৫ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ গঠনগত ১৮ এপ্রিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাত রশীদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মুঈনুল ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় সংগঠনের বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটি স্থগিতের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। একই সঙ্গে পাঁচ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়। এই পরিষদে রয়েছেন—আবু সাঈদ লিওন, হামযা মাহবুব, তারিকুল ইসলাম (রেজা), মুঈনুল ইসলাম এবং শাহাদাত হোসেন। আগামী ৩০ দিনের মধ্যেই উপদেষ্টা পরিষদ সব কার্যক্রম সম্পন্ন করবে বলেও জানানো হয়। এই উপদেষ্টা পরিষদের বিরোধিতা করে বক্তব্য দেওয়ায় সংগঠনের মুখপাত্র সিনথিয়া জাহীন আয়েশাকে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক শাহাদাত হোসেন তাকে গ্রুপ থেকে বের করে দেন।
যেভাবে গঠিত হয়েছিল কমিটিবৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন গত বছরের জুলাই–আগস্টে হওয়া অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছিল। পরে এই প্ল্যাটফর্ম ও জাতীয় নাগরিক কমিটির যৌথ উদ্যোগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আত্মপ্রকাশ ঘটে। এরপর থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দৃশ্যমান কোনো কার্যক্রম সেভাবে ছিল না। প্ল্যাটফর্মটির নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন নেতিবাচক ঘটনার খবর আসছিল। এমন প্রেক্ষাপটে কাউন্সিলের মাধ্যমে সংগঠনের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হয় গত বছরের ২৫ জুন।
কমিটিতে আর্থিক কোনো লেনদেনের প্রশ্নই আসে না। আমার কোনো ধরনের লেনদেন কারও সঙ্গে কখনো হয়নি। অ্যাটলিস্ট আমাকে নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই। কারও কোনো অভিযোগ নেই। আমি অর্থনৈতিকভাবে সৎ থাকার চেষ্টা করেছি সব সময় এবং এখনো আছি। এখানে আমাকে নিয়ে কেউ অভিযোগ তোলেওনি। অন্য কাউকে নিয়ে তুলতে পারে।-উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মুঈনুল ইসলাম
Advertisement
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কমিটিতে সভাপতি হওয়া রশিদুল ইসলাম (রিফাত রশীদ) জুলাই অভ্যুত্থানের সময় প্ল্যাটফর্মটির সম্মুখসারির সমন্বয়ক ছিলেন। পরে এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব হয়েছিলেন। সেখান থেকে তিনি পদত্যাগ করেন। সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হাসান ইনাম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জুলাই গণঅভ্যুত্থানবিষয়ক বিশেষ সেলের সম্পাদক ও জুলাই ম্যাসাকার আর্কাইভের প্রতিষ্ঠাতা। কয়েক মাস আগে তিনিও পদত্যাগ করেন।
যত অভিযোগকমিটি বাতিল হয়নি জানিয়ে নিজেকে সংগঠনের মুখপাত্র দাবি করে সিনথিয়া জাহীন আয়েশা জাগো নিউজকে বলেন, ‘গত বছর আমাদের কাউন্সিলের মাধ্যমে কমিটি গঠন হয়। আমাদের একটা কমিটমেন্ট কিংবা একটা কমিটির নির্দিষ্ট টাইম ছিল। তো সেই কমিটমেন্টের জায়গাটা ব্রেক করে এবং টাইমটাও যেহেতু এখনো সম্পন্ন হয়নি, এখন সভাপতি ও দায়িত্বশীল আরও বেশ কয়েকজন তাদের রাজনৈতিক অভিলাষ কিংবা উচ্চাকাঙ্ক্ষার জন্য এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন।’
আরও পড়ুন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সব কমিটির স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারএনসিপিতে যোগ দিলেন জুনায়েদ-সানি-রিফাত রশীদবৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতাসহ দুজন রিমান্ডে, কারাগারে ৫
তিনি বলেন, ‘এখানে আরও একটি ঘটনা আছে। এখানে বেশকিছু টাকা-পয়সাজনিত সমস্যা আছে। মানে বড় একটা টাকা আত্মসাৎ করে লুটপাট করে তারা এখান থেকে চলে গেছে। তো সেই বিষয়গুলো নিয়ে যখন আমরা জবাব নিতে চাচ্ছিলাম তখন তারা হুট করে জানায় যে তারা রাজনৈতিক দলে যুক্ত হবে। যুক্ত হলে ভালো কথা, যে কেউ যে কোনো রাজনৈতিক দলে যুক্ত হতে পারে, সেটা তার ব্যক্তিচিন্তা। কিন্তু তারপরও একটি কমিটমেন্ট দিয়ে যেহেতু তারা আসছে, তারা এটা করতে পারে না।’ আয়েশা বলেন, ‘তারা রাজনৈতিক দলে যুক্ত হয়েছে এবং সবশেষ রাজনৈতিক দলে যুক্ত হওয়ার পরেও তাদের কাছে যেহেতু আমাদের কেন্দ্রীয় ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজটি রয়েছে, সেটি ব্যবহার করে তারা অবৈধভাবে একটা প্রেস রিলিজ দিয়েছে যে আমাদের কেন্দ্রীয় কমিটি স্থগিত করা হলো। পাঁচ সদস্যের একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে। যারা উপদেষ্টা পর্ষদে আছেন সবাই রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত। এটা করার অধিকার তাদের নেই।’
এটা তো দীর্ঘদিনের আলোচনা। আমরা যে কেউ যে কোনো রাজনৈতিক দলে যাবো এটা স্বাভাবিক। ঘটনা যেটা ঘটেছে, উপদেষ্টা পরিষদ ওনাদের মনমতো হয়নি। এজন্য এসব বলছে। নতুন কোনো কমিটি হলে যেসব হয়, ওরকমই হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, অভিযোগ—এসবই ঘটছে।-সদ্য সাবেক দপ্তর সম্পাদক শাহাদাত হোসেন
আর্থিক অসংলগ্নতার যে বিষয়টা আসছে, সেটা নিয়ে তারা ক্লারিফাই করেনি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা নিয়ে আমরা যখনই কথা বলেছি তখনই তারা আমাদের সব ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে রিমুভ করে দিয়েছে। তারা চাচ্ছে আমাদের মুখটা বন্ধ করে রাখতে। কিন্তু আমরা আগামীকালকের মধ্যেই প্রেস ব্রিফিং করবো। আমরা জেলা ইউনিটগুলোর সঙ্গে কমিউনিকেট করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘টাকা আত্মসাতের বিস্তারিত আমরা প্রেস ব্রিফিং করে বলবো। কিন্তু এখানে বড় একটা অ্যামাউন্ট মানে কোটির ওপর একটা অ্যামাউন্ট লুটপাট হয়েছে।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সদস্য সচিব আতিক শাহরিয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যে রক্ত, ঘাম এবং নিঃস্বার্থ ত্যাগ— তা এদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। আমরা নিজেদের টাকায় পড়াশোনা করি, কিন্তু দেশের ক্রান্তিলগ্নে সবার আগে রাজপথে বুক পেতে দিতে আমরাই জানি। আজ যখন সেই আন্দোলনের স্পিরিট পাশ কাটিয়ে, কোনো আলোচনা ছাড়াই পকেট কমিটি দিয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার চেষ্টা চলছে, তখন আপনাদের অনেকের মনেই ক্ষোভ আর হতাশা তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। অনেকেই হয়তো ভাবছেন, আমরা কি হাল ছেড়ে দিলাম? আপনাদের কি একা ফেলে গেলাম?
তিনি বলেন, সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সদস্য সচিব হিসেবে আমি আপনাদের স্পষ্টভাবে বলতে চাই— আমরা আপনাদের ছেড়ে যাইনি, যাবোও না! যে অধিকার আদায়ের জন্য আমরা এক হয়েছিলাম, সেই অধিকার কেউ ছিনতাই করতে পারবে না। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কারও ক্ষমতার সিঁড়ি নয়। আপনারা নিজেদের একা ভাববেন না, হতাশ হবেন না। আমাদের ঐক্য অটুট আছে। শিগগির আমরা এই নব্য স্বৈরাচারী আচরণের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট রূপরেখা নিয়ে আপনাদের সামনে আসব। শক্ত থাকুন, আমরা একসঙ্গেই আছি।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাশরাফি সরকার তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্ল্যাটফর্ম ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার এবং আর্থিক অনিয়মের মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠায় আমরা তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাচ্ছি।
অভিযোগের বিষয়ে যা বলছেন সংশ্লিষ্টরাউপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মুঈনুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘একটা সংগঠনের তো মূলত একটা অর্গানোগ্রাম বা অথরিটি থাকে। সেই অথরিটির ভিত্তিতে চলে এবং গঠনতন্ত্রের ভিত্তিতে চলে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রানিং যে কমিটি ছিল গতকাল পর্যন্ত সেই কমিটির সভাপতি ও মুখ্য সমন্বয়ক তারা দুজনসহ বেশ কয়েকজন এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন। সেক্রেটারি আগেই পদত্যাগ করেছেন। এই জায়গা থেকে কমিটি আর ফাংশনাল থাকে না, যেখানে প্রেসিডেন্ট সেক্রেটারি থাকে না।’
তিনি বলেন, ‘গত বছরের নভেম্বরের ৪ তারিখ আমাদের তৎকালীন মুখপাত্রকে একটা দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল গঠনতন্ত্র করার জন্য। এই গঠনতন্ত্রের আলোকে সংগঠনে কীভাবে কার্যক্রম চলবে, কীভাবে নির্বাচন হবে- এগুলো করার জন্য। কিন্তু তাকে বারবার তাগাদা দেওয়ার পরেও গঠনতন্ত্রটা করেনি। ফলে গতকাল সংগঠনের সভাপতি ও মুখ্য সমন্বয়ক চলে গেলো এবং সেক্রেটারিও নেই। আলটিমেটলি এখানে অথরাইজেশন করার মতো কোনো ব্যক্তি থাকলো না।’ আর্থিক লুটপাটের অভিযোগের বিষয়ে মুঈনুল বলেন, কমিটিতে আর্থিক কোনো লেনদেনের প্রশ্নই আসে না। আমার কোনো ধরনের লেনদেন কারও সঙ্গে কখনো হয়নি। অ্যাটলিস্ট আমাকে নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই। কারও কোনো অভিযোগ নেই। আমি অর্থনৈতিকভাবে সৎ থাকার চেষ্টা করেছি সব সময় এবং এখনো আছি। এখানে আমাকে নিয়ে কেউ অভিযোগ তোলেওনি। অন্য কাউকে নিয়ে তুলতে পারে।’ কাজগুলো স্বতন্ত্রভাবেই করেন এবং এখনো করছেন, কিন্তু বিষয়টা এনসিপির প্রভাব বললে ভুল হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সংগঠনটি থেকে সদ্য বিদায় নিয়ে এনসিপিতে যোগ দেওয়া সদ্য সাবেক দপ্তর সম্পাদক শাহাদাত হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘এটা তো দীর্ঘদিনের আলোচনা। আমরা যে কেউ যে কোনো রাজনৈতিক দলে যাবো এটা স্বাভাবিক। ঘটনা যেটা ঘটেছে, উপদেষ্টা পরিষদ ওনাদের মনমতো হয়নি। এজন্য এসব বলছে। নতুন কোনো কমিটি হলে যেসব হয়, ওরকমই হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, অভিযোগ—এসবই ঘটছে।’ তিনি বলেন, ‘যেই পাঁচজনের উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে, এখানে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ১৫৮ জন সমন্বয়ককে। এই ১৫৮ জনের মধ্যে তিনজনকে রাখা হয়েছে এবং সবশেষ কমিটির দুজনকে রেখে উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে।’
এনএস/এএসএ/ এমএফএ