রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে ডিমের দাম। সেইসঙ্গে দাম বেড়েছে কিছু সবজির। তবে কমেছে মুরগির দাম। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে চাল-ডালসহ অন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের।
Advertisement
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৪২ থেকে ৪৪ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিল ৩৮-৪০ টাকা। এছাড়া প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০-১৯০ টাকা থেকে কমে ১৭০-১৮০, পাকিস্তানি সোনালি মুরগি ৩৮০-৩৯০ টাকা থেকে কমে ৩৪০-৩৫০, পাকিস্তানি হাইব্রিড ৩৫০-৩৬০ টাকা থেকে কমে ৩২০-৩৩০, পাকিস্তানি লেয়ার ৩৩০-৩৪০ এবং দেশি মুরগি ৬০০-৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে গরুর মাংস অপরিবর্তিত ৭২০-৭৫০ এবং খাসি ১০০০-১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মুলাটোল আমতলা বাজারের ডিম বিক্রেতা আজিজুল ইসলাম বলেন, বাজারে দাম নির্ভর করে সরবরাহের ওপর। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হলে দাম বেড়ে যায়।
Advertisement
ওই বাজারের মুরগি বিক্রেতা জাহাঙ্গীর আলম জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় সব ধরনের মুরগির দাম কিছুটা কমেছে।
এদিকে, সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায়, টমেটো গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৪০, গাজর ৩০-৪০ থেকে বেড়ে ৫০-৬০, ঝিংগা ৭০-৮০ টাকা থেকে কমে ৫০-৬০, চালকুমড়া (আকারভেদে) ৫০-৬০ টাকা থেকে কমে ৩৫-৪০, কাঁচাকলা আগের মতোই ২৫-৩০, সজনে ৭০-৮০ থেকে বেড়ে ৯০-১০০, শসা আগের মতোই ৪০-৫০, লেবুর হালি ২৫-৩০, চিকন বেগুন ৬০-৭০, গোল বেগুন ৭০-৮০, পটল ৭০-৮০ থেকে কমে ৫০-৬০, ঢেঁড়শ ৬০-৭০ থেকে কমে ৪০-৫০, শিম আগের মতোই ৭০-৮০, পেঁপে ৩৫-৪০, বরবটি ৭০-৮০ থেকে কমে ৪০-৫০, করলা ৮০-১০০ থেকে কমে ৫০-৬০, লাউ (আকারভেদে) ৬০-৭০ থেকে কমে ৪০-৫০, কচুরলতি ৭০-৮০, প্রতিকেজি ধনেপাতা ৭০-৮০ থেকে কমে ৪০-৫০, সব ধরনের শাকের আঁটি ১০-১৫, কাঁচা মরিচ ৫০-৬০ থেকে কমে ৩৫-৪০ এবং পেঁয়াজ ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
অপরদিকে, দেশি আদা ১৬০-১৮০ থেকে কমে ১৫০-১৬০, আমদানি করা আদা ১৪০-১৫০, দেশি রসুন ৮০-১০০ এবং আমদানি করা রসুন ২৫০-২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
শাপলা বাজারের সবজি বিক্রেতা ইসলাম উদ্দিন বলেন, সপ্তাহের ব্যবধানে কিছু সবজির দাম কমেছে।
Advertisement
জিতু কবীর/এএইচ/জেআইএম