ইরান সম্পর্কিত ১৪ ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউজের রিপোর্টার বার্নড ডেবুসম্যান জুনিয়র লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র একদিকে যুদ্ধবিরতি বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে ইরানের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে যেন তারা আলোচনায় ছাড় দেয়। খবর বিবিসির।
Advertisement
ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের পাঠানো এক ঘোষণায় মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ইরান, তুরস্ক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত ১৪ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং কিছু বিমানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে।
তাদের অভিযোগ অনুযায়ী, এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইরান সরকারের পক্ষ হয়ে অস্ত্র বা অস্ত্রের যন্ত্রাংশ সংগ্রহ বা পরিবহনে ভূমিকা রেখেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘোষণার মানে হলো নিষেধাজ্ঞাভুক্তদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বা আমেরিকানদের দখলে থাকা সব সম্পদ জব্দ করা হবে এবং সেগুলোর তথ্য জানাতে হবে।
Advertisement
এছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠানে এসব সত্তার সরাসরি বা পরোক্ষভাবে ৫০ শতাংশ বা তার বেশি মালিকানা রয়েছে সেগুলোকেও একই নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
মার্কিন নাগরিকদের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বা এমনকি অস্থায়ীভাবে সেখানে অবস্থানরত বিদেশিরাও এই সত্তাগুলোর সঙ্গে কোনো ধরনের লেনদেন করতে পারবেন না।
মার্কিন সরকারের মতে, এসব সত্তা ইরানকে আবার ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা পুনর্গঠনে সহায়তা করছে, যা অপারেশন এপিক ফিউরি চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্র বলছে, এই ঘোষণা একটি বৃহত্তর অভিযানের অংশ, যার নাম অপারেশন ইকোনমিক ফিউরি। এর লক্ষ্য হলো- ইরানের বিশ্ব আর্থিক বাজারে প্রবেশ বন্ধ করা এবং প্রশাসনের আশা অনুযায়ী, ইরানকে এমন একটি চুক্তিতে আসতে চাপ দেওয়া, যা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গ্রহণযোগ্য।
Advertisement
টিটিএন