খেলাধুলা

হয়তো এটাই বাংলাদেশে ক্রিকেট খেলার মজা

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হয়েছে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ। দুটিতেই কিছুটা অসমান বাউন্স আর স্লো ছিল উইকেট। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ মাঠে গড়াবে আগামীকাল সকাল ১১টায়, চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। এই ম্যাচের আগে উইকেট দেখতে ভালো হলেও বাংলাদেশের বোলিং কোচ শন টেইট নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না, কেমন আচরণ হবে। বাংলাদেশের কোনো উইকেট সম্পর্কেই নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। তার কাছে বাংলাদেশে এটাই ক্রিকেট খেলার মজা।

Advertisement

বুধবার সংবাদ সম্মেলনে আসা টেইট বলেন, ‘আমার মনে হয় এটা একটা ভালো উইকেট মনে হচ্ছে। কিন্তু এটা ঠিকভাবে বোঝা কঠিন কেমন আচরণ করবে। সাধারণভাবে যদি চট্টগ্রামের দিকে তাকান, এটা বেশ ভালো ব্যাটিং উইকেট এবং মাঝে মাঝে বল একটু নিচু হয়ে আসতে পারে, তবে আমি উইকেট নিয়ে খুব বেশি কিছু বিশ্লেষণ করতে চাই না। আমি যেটা জানি সেটা হলো আমরা একটা ভালো জয় নিয়ে এখানে আসছি এবং শেষ পর্যন্ত এটা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এবং যেটা সামনে আছে সেটার সঙ্গেই মানিয়ে নিতে হবে।’

এমনকি এই ম্যাচের উইকেটকে গেলো এক বছরের সেরা উইকেট মানছেন শন, ‘এই উইকেটটা আমার এখানে ১২ মাসে দেখা চট্টগ্রামের মধ্যে সবচেয়ে ভালো উইকেটের মতো লাগছে। দেখা যাক কালকে কীভাবে আচরণ করে। বাংলাদেশে আমি একটা জিনিস দেখেছি, এখানে উইকেট পড়া সাধারণভাবে কঠিন, সত্যি বলতে। বিশেষ করে মিরপুরে, কারণ আমরা দেখেছি প্রথম ম্যাচ আর দ্বিতীয় ম্যাচ একটু আলাদা ছিল। আর হয়তো এটাই বাংলাদেশে ক্রিকেট খেলার মজা।’

সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডেতে বাংলাদেশ ভিন্ন ভিন্ন উইকেটে খেলেছে। চট্টগ্রাম সাধারণত ব্যাটিং উইকেট হয়। বাংলাদেশের পেসাররা এখন যেকোনো কন্ডিশনে বোলিং করতে এবং মানিয়ে নিতে পারে বলেও আত্মবিশ্বাসী শন টেইট।

Advertisement

তিনি বলেন, ‘আমি খুব আত্মবিশ্বাসী তারা এটা করতে পারবে। আমি জানি তারা মানিয়ে নিতে কতটা আত্মবিশ্বাসী। আমরা দেখেছি তারা গত দুই ম্যাচে বেশ ভালো বোলিং করেছে এবং উইকেটগুলো একটু আলাদা ছিল। তারা দুইটি ভিন্ন কন্ডিশনে সত্যিই ভালোভাবে মানিয়ে নিয়েছে। তাই আগামী ম্যাচেও তারা এটা করতে পারবে না এমন কোনো কারণ নেই। কিন্তু এটা তো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট—আপনি যেখানেই যান, অস্ট্রেলিয়া হোক বা জিম্বাবুয়ে, একটু আলাদা হবেই। আর সেটাই এর সৌন্দর্য। তরুণ ফাস্ট বোলারদের জন্য বিভিন্ন পিচে খেলা এবং সেখানে পারফর্ম করার সুযোগ পাওয়া—এটাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট।’

এসকেডি