ডিজিটাল যুগে আমরা প্রতিদিনই অনলাইনে অসংখ্য তথ্য শেয়ার করছি ব্যক্তিগত ছবি, ব্যাংকিং তথ্য, পাসওয়ার্ড, এমনকি গুরুত্বপূর্ণ অফিস ফাইলও। কিন্তু এই সুবিধার পাশাপাশি বেড়েছে সাইবার ঝুঁকিও। হ্যাকিং, ফিশিং, ডাটা লিক এসব এখন নিত্যদিনের ঘটনা। তাই নিজের ডাটা সুরক্ষিত রাখা এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং জরুরি প্রয়োজন।
Advertisement
এই ফিচারে থাকছে অনলাইনে ডাটা সুরক্ষিত রাখার সাতটি কার্যকর উপায়, যা মেনে চললে অনেকটাই নিরাপদ থাকা সম্ভব।
১. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুনসহজ বা সাধারণ পাসওয়ার্ড (যেমন ১২৩৪৫৬, পাসওয়ার্ড) ব্যবহার করা সবচেয়ে বড় ভুল। একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ডে বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্ন থাকা উচিত। একই পাসওয়ার্ড একাধিক জায়গায় ব্যবহার না করাই ভালো।
২. টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) চালু করুনশুধু পাসওয়ার্ডই যথেষ্ট নয়। অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু রাখুন। এতে লগইন করার সময় একটি কোড (ওটিপি) প্রয়োজন হয়, যা আপনার মোবাইল বা ই-মেইলে আসে।
Advertisement
অপরিচিত ই-মেইল বা মেসেজে দেওয়া লিংকে ক্লিক করা বিপজ্জনক হতে পারে। অনেক সময় হ্যাকাররা ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করে আপনার তথ্য চুরি করে। তাই কোনো লিংকে ক্লিক করার আগে ভালোভাবে যাচাই করুন।
৪. পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহারে সতর্কতাক্যাফে, এয়ারপোর্ট বা পাবলিক জায়গার ফ্রি ওয়াই-ফাই নিরাপদ নাও হতে পারে। এসব নেটওয়ার্কে সংযুক্ত থাকলে গুরুত্বপূর্ণ কাজ যেমন অনলাইন ব্যাংকিং বা লগইন করা এড়িয়ে চলুন।
৫. সফটওয়্যার ও অ্যাপ আপডেট রাখুনপুরোনো সফটওয়্যার বা অ্যাপে নিরাপত্তা দুর্বলতা থাকতে পারে। নিয়মিত আপডেট করলে নতুন সিকিউরিটি প্যাচ যুক্ত হয়, যা আপনার ডিভাইসকে সুরক্ষিত রাখে।
৬. অ্যান্টিভাইরাস ও সিকিউরিটি টুল ব্যবহার করুনবিশ্বস্ত অ্যান্টিভাইরাস বা সিকিউরিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করলে ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস থেকে ডিভাইস সুরক্ষিত থাকে। এটি সন্দেহজনক ফাইল বা লিংক শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
Advertisement
ডাটা হারিয়ে গেলে বড় সমস্যায় পড়তে পারেন। তাই নিয়মিত ক্লাউড বা এক্সটার্নাল ডিভাইসে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ব্যাকআপ রাখুন।
আরও পড়ুনসোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল খবরের সত্যতা যাচাই করবে গুগলএখন নোটপ্যাডেও পাবেন ইমেজ সাপোর্টকেএসকে