নিউজিল্যান্ডের দুই ব্যাটার রীতিমত ঝড় শুরু করেছিলেন ব্যাট হাতে। তবে এরপর রিশাদ হোসেন ও শেখ মেহেদী লাগাম টেনে ধরেন কিউই ব্যাটারদের। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উইকেট বরাবরই ব্যাটারদের সাহায্য করে। এমন ভালো শুরু পরও নিউজিল্যান্ডকে ১৮২ রানে আটকে দেওয়ায় নিজেদের বোলিংয়কে কৃতিত্ব দিচ্ছেন টাইগার স্পিনার শেখ মেহেদী।
Advertisement
বিসিবির পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় মেহেদী জানান, চট্টগ্রামের কন্ডিশনে বোলারদের জন্য সবসময়ই কঠিন চ্যালেঞ্জ থাকে। তিনি বলেন, ‘চিটাগংয়ের উইকেট বরাবরই ব্যাটিং সহায়ক হয়। তাই বোলারদের জন্য এখানে সবসময়ই চ্যালেঞ্জ থাকে, কঠিন পরিস্থিতি সামলাতে হয়। গতকালের ম্যাচ দেখলেই বোঝা যায়, আমরা বোলার ইউনিট হিসেবে কতটা কঠিন সময় পার করেছি। একইভাবে নিউজিল্যান্ডও কিন্তু একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে।’
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ধরন অনুযায়ী ব্যাটাররা শুরু থেকেই চড়াও হতে চায়। শেখ মেহেদীর মতে, শুরুতে কিছুটা খেই হারালেও মিডল ওভারে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে রিশাদ হোসেনের বোলিং এবং নিজের শেষ দুই ওভারের স্পেলকে ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে দেখছেন তিনি।
মেহেদী বলেন, ‘শুরুতেই আমাদের কিছুটা স্ট্রাগল করতে হয়েছে। তবে ধীরে ধীরে আমরা ম্যাচে ফিরে আসি। রিশাদের ওভারগুলো খুব ভালো ছিল, আর শেষ দিকে আমি দুইটা ওভারে ভালো কামব্যাক করি। এই দুই স্পেলে আমরা মিডল ওভারটা অনেক ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। আমরা যদি সেই সময়টা আরেকটু ভালোভাবে হ্যান্ডেল করতে না পারতাম, তাহলে হয়তো আরও ২০ রান বেশি খেতে হতো।’
Advertisement
নিউজিল্যান্ডের চেয়ে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণকে এগিয়ে রেখে এই অলরাউন্ডার বলেন, ‘ওভারঅল যদি উইকেট রিড করা যায়, তাহলে আমি বলব বোলিংয়ের দিক থেকে আমরা নিউজিল্যান্ডের চেয়ে ভালো করেছি। গত এক-দেড় বছরে স্পিনাররা সত্যিই ডমিনেটিং পারফরম্যান্স করে আসছে। বিদেশের কন্ডিশনেও রিশাদ, নাসুম বা আমি—যেই সুযোগ পাচ্ছে, ভালো করছে।’
ব্যক্তিগত কামব্যাক নিয়ে মেহেদী জানান, ৫ মাসের দীর্ঘ বিরতির পর মানিয়ে নেওয়াটা সহজ ছিল না। তিনি বলেন, ‘আমি শেষ পাঁচ মাস আগে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিলাম। এর মধ্যে তিন মাস কোনো প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটও খেলিনি। তাই প্রথম ম্যাচটা আমার জন্য একটু কঠিন ছিল। কিন্তু যত দ্রুত মানিয়ে নিতে পেরেছি, সেটাই আমার জন্য ভালো দিক।’
এসকেডি/এমএমআর
Advertisement