জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুসের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
Advertisement
মঙ্গলবার বিকেলে জিয়া পরিষদ সোনালী ব্যাংকের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংগঠনটির উদ্যোগে আয়োজিত এ দোয়া মাহফিলে কেন্দ্রীয় ও তৃণমূল পর্যায়ের নেতা, বিশিষ্টজন এবং শুভানুধ্যায়ীরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে জিয়া পরিষদ কেন্দ্রীয় সংসদের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আবদুল্লাহ হিল মাসুদ মরহুমের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন এবং তার অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তারা বলেন, প্রফেসর ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুস জেড ফোর্সের অধিনায়ক জিয়াউর রহমানের অধীনে মহান মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করে দেশপ্রেম, সাহসিকতা ও নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
Advertisement
তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টা, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এবং দলের সহযোগী বুদ্ধিজীবী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
রাজপথের নেতা হিসেবে তিনি কর্মীদের কাছে ছিলেন অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং দলের দুঃসময়ে ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ এক সাহসী সৈনিক মন্তব্য করেন বক্তারা।
বক্তারা আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করেই তারা রাজনীতি করেন এবং সেই আদর্শ বাস্তবায়নে নিজেদের আরও কার্যকরভাবে নিয়োজিত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি দলীয় ব্যানারে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই তাদের মূল লক্ষ্য বলেও উল্লেখ করেন তারা।
মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত সবাই তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এছাড়া জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া করা হয়।
Advertisement
গত শনিবার দুপুর ২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তিনি এক ছেলে, এক মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
এছাড়া মিলাদ মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন জিয়া পরিষদ নেতা সোনালী ব্যাংকের মো. মহিউদ্দিন, এস, এম, আবুল বাশার, ফেরদৌস উন নবী ও সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নেতা মাহবুব সোহেল বাপ্পী।
ইএআর/এমআরএম