নিজের পরিচয় সম্পর্কে খোলামেলা কথা বলেছেন শিক্ষক ও লেখক গুলতেকিন খান। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে নিজের অভিব্যক্তি জানিয়েছেন।
Advertisement
গুলতেকিন খান লিখেছেন, ‘কখনো সুপার শপে, দোকানে, কোনো নতুন বাড়ির লিফ্টে, বিয়ের অনুষ্ঠানে কিংবা ডাক্তারের জন্য অপেক্ষমান অবস্থায় কেউ কেউ একটু বিব্রত হয়ে জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনি কি নুহাশের আম্মা অথবা মা?’আমি মাথা নাড়িয়ে বলি, ‘জ্বি!’‘আমি প্রথমে ঠিক চিনতে পারিনি। ছবিতে আর টিভিতে আপনাকে একটু অন্যরকম লাগে দেখতে। সামনাসামনি আপনি বেশি সুন্দর দেখতে!’আমি মৃদু হেসে বলি, ‘অনেক সাজগোজ করেছি, তাই সুন্দর লাগছে।’
এখন কেউ কেউ আমাকে ‘নুহাশের আম্মা/মা’ হিসেবে চেনেন। ডেফিনেটলি আগের পরিচয়ের চেয়ে অনেক ভালো। নামের আগে ‘প্রাক্তন’ শব্দটির ব্যবহার আমার কখনোই ভালো লাগেনি!
আরও পড়ুনমওলানা ভাসানীকে লেখা শেরে বাংলার চিঠি ভাইরালআমার দীর্ঘ দুই দশকের শিক্ষকতা, চারটি কবিতার বই, দুটি অনুবাদের বই, একটি উপন্যাস এবং একটি কাব্যগ্রন্থ (যৌথ), কোনো কিছুই আমাকে ‘গুলতেকিন খান’ হিসেবে পরিচিত করেনি। তাই বলে আমি আইডেন্টিটি ক্রাইসিসে ভুগছি না!
Advertisement
আমার সন্তানদের বাবাই আমাকে তাঁর পাঠক-পাঠিকাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন ‘গুলতেকিন আহমেদ’ হিসেবে। সার্টিফিকেটে আমি সব সময়ই ‘গুলতেকিন খান’। শিক্ষকতায়ও আমি ‘গুলতেকিন খান’ হিসেবেই পরিচিত। আমার সহকর্মীরা এ নামেই অভ্যস্ত।
তবুও এখনো অনেকেই জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনি গুলতেকিন আহমেদ, তাই না?’ আমি বলি, ‘আমি গুলতেকিন খান’!’
এসইউ
Advertisement