চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনীর বিপক্ষে আজ বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে শুধু জিতলেই চলবে না মোহামেডানের। পাশাপাশি অন্য মাঠে ঢাকা লেপার্ডসের কাছে প্রাইম ব্যাংকের হারও প্রয়োজন। ১৬ বছর পর লিগ শিরোপা পুনরুদ্ধারের স্বপ্ন তাই ‘যদি-তবে’র সমীকরণের ওপরই নির্ভর করছে সাদা-কালোদের।
Advertisement
এমন জটিল সমীকরণ সামনে রেখেই শুক্রবার মাঠে নেমে আবাহনীর বিপক্ষে রানবন্যা বইয়ে দিয়েছে মোহামেডান। শুধু বিশাল সংগ্রহই নয়, ৪ উইকেটে ৪০৬ রান তুলে নতুন রেকর্ডও গড়েছে তারা। দুই টপ-অর্ডার ব্যাটার পারভেজ হোসেন ইমন ও এনামুল হক বিজয়ের জোড়া সেঞ্চুরিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে এই পাহাড়সম রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় মোহামেডান।
ফর্মে থাকা বাঁহাতি ওপেনার নাইম শেখ অবশ্য রান পাননি। তিনি ১৭ বলে ১১ রান করে ফিরে যান। ৩৬ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙলেও এরপর বিজয় ও পারভেজ আবাহনীর বোলারদের ওপর চড়াও হন। দুজন মিলে দ্বিতীয় উইকেটে ২৪৮ রানের বিশাল জুটি গড়ে মোহামেডানকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে নেন।
এর মধ্যে পারভেজ হোসেন ইমন খেলেন ১৫০ রানের ঝোড়ো ইনিংস। ১১৬ বলে ১০ চার ও ১২ ছক্কায় দেড়শ রান করেন তিনি। স্ট্রাইক রেট ছিল ১২৯.৩১। অন্য প্রান্তে এনামুল হক বিজয়ও ছিলেন দুর্দান্ত। উইকেটের চারদিকে দৃষ্টিনন্দন সব শট খেলে ১১৫ বলে ১১ চার ও ৯ ছক্কায় ১৪১ রান করেন তিনি। তার স্ট্রাইক রেট ছিল ১২২.৬১।
Advertisement
এরপর আফিফ হোসেন ধ্রুব ৩৩ বলে ৬ চার ও ৪ ছক্কায় ৬১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। আনিসুল ইসলাম ইমনও ১৬ বলে ৩০ রানের অপরাজিত টর্নেডো ইনিংস উপহার দেন। তাদের ব্যাটে ভর করে ৪০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করে মোহামেডান।
মোহামেডান-আবাহনী দ্বৈরথে পূর্বে কোনো দলই ৪০০ রান করতে পারেনি। এর আগে বিকেএসপির একই মাঠে লিটন দাস ও ভারতের সাবেক তারকা ক্রিকেটার দিনেশ কার্তিকের জোড়া সেঞ্চুরিতে মোহামেডানের বিপক্ষে ৩৯০ রান করেছিল আবাহনী।
সেই ম্যাচে রকিবুল হাসানের বড় সেঞ্চুরিতে মোহামেডান পাল্টা লড়াই গড়ে তুললেও শেষ পর্যন্ত হেরে যায়। তবে এবার, ১২ জুন বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ গড়ে শুধু নিজেদের রেকর্ডই নয়, মোহামেডান-আবাহনী দ্বৈরথের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডও নতুন করে লিখেছে মোহামেডান।
এআরবি/আইএন
Advertisement