আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আর এস ফাহিম চৌধুরীকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (১৪ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
Advertisement
দুপুরের ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ফাহিমকে নতুন মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদনএর আগে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাকে রমনা মডেল থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করে। আর এস ফাহিম বর্তমানে অন্য একটি মামলায় কারাগারে আটক রয়েছেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
আদালতে দাখিল করা আবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারিতে রমনা মডেল থানার মামলা এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো প্রয়োজন। তদন্তে তার সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
Advertisement
মামলার নথি অনুযায়ী, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর রমনা পার্কের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সংলগ্ন এলাকায় একটি গোপন বৈঠকের তথ্য পেয়ে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযোগ করা হয়, বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা জনমনে আতঙ্ক ও ভীতি সৃষ্টি করে রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার পরিকল্পনা করছিল। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এজাহারভুক্ত ১ থেকে ৬ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলেও ফাহিম চৌধুরীসহ কয়েকজন পলাতক ছিলেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মামলার তদন্তকালে আর এস ফাহিম চৌধুরীর সম্পৃক্ততার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতে তাকে মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়।
আদালতে দাখিল করা নথিতে ফাহিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলার তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে মোহাম্মদপুর থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় দায়ের হওয়া একটি মামলা, গুলশান থানায় হত্যা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি মামলা এবং ধানমন্ডি থানায় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় দায়ের হওয়া আরেকটি মামলা রয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমির হামজা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে আবেদনটি মঞ্জুর করেন।
Advertisement
এমডিএএ/এমআইএইচএস