মাছ চাষে অযৌক্তিক ও অনিয়ন্ত্রিতভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে, যা জনস্বাস্থ্য এবং পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
Advertisement
বুধবার (১৭ জুন) মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) ‘মিঠাপানির মাছের মড়ক প্রতিরোধে ভ্যাকসিন উদ্ভাবন’ প্রকল্পের উদ্বোধনী কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় থাকা মিঠাপানির মাছকে রোগমুক্ত ও টেকসইভাবে সংরক্ষণের লক্ষ্যে ভ্যাকসিন উদ্ভাবনের উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী।
প্রতিমন্ত্রী উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, গবাদিপশুর জন্য ব্যবহৃত কিছু অ্যান্টিবায়োটিকও মাছের খামারে প্রয়োগ করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
Advertisement
এ বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তরকে কঠোর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রের প্রতিটি দায়িত্বশীল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উচিত নিজ নিজ দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে পালন করা। জনগণের করের অর্থে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়, তাই জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই সবাইকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানীয় অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মো. সিরাজুম মনির। এছাড়া মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকমণ্ডলী, বিএফআরআইর বিজ্ঞানী, গবেষক, মৎস্য বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।
Advertisement
এএসএ/জেআইএম