জাতীয়

চারণভূমি ও তৃণভূমি পুনরুদ্ধারের আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর

বাংলাদেশ মরুভূমির দেশ না হলেও মরুময়তা, ভূমি অবক্ষয় এবং খরার ঝুঁকি থেকে মুক্ত নয়। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, অনিয়ন্ত্রিত ভূমি ব্যবহার, মাটির উর্বরতা হ্রাস, লবণাক্ততার বিস্তার, নদীভাঙন, বন উজাড় ও দীর্ঘস্থায়ী শুষ্ক মৌসুম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমি অবক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে বলে জানান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

Advertisement

এসময় মন্ত্রী সবাইকে চারণভূমি ও তৃণভূমি পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানান।

বুধবার (১৭ জুন) পরিবেশ অধিদপ্তরে বিশ্ব মরুময়তা ও খরা দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব মরুময়তা ও খরা দিবস শুধু একটি আন্তর্জাতিক দিবস নয়। এটি ভূমি, পরিবেশ, খাদ্য নিরাপত্তা, জীবিকা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আমাদের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

Advertisement

আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, দীর্ঘ শুষ্ক মৌসুম, অতিবৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা, ঘূর্ণিঝড় এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ভূমি ও পানি সম্পদের ওপর বহুমাত্রিক প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে খরা কৃষি উৎপাদন, পানিসম্পদ ও জীবিকার ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

বৈশ্বিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ভূমি অবক্ষয়, খরা এবং জলবায়ু পরিবর্তন বৈশ্বিক সমস্যা। তাই এর সমাধানেও প্রয়োজন বৈশ্বিক সংহতি।

উন্নয়ন সহযোগী, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতি ভূমি পুনরুদ্ধার, খরা মোকাবিলা এবং প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানে বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান মন্ত্রী।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement

এএসএ/জেআইএম