খেলাধুলা

ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়ার হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে প্রথমার্ধেই ৪ গোল

বিশ্বকাপের ম্যাচে সমানে সমান টক্কর হচ্ছে ডালাস স্টেডিয়ামে। প্রথমার্ধে ২-২ গোলে সমতায় রয়েছে ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যকার লড়াই।

Advertisement

ম্যাচের নবম মিনিটে পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। রাইস ডান দিক থেকে আউটসুইং কর্নার নেন। আর এখানেই পেনাল্টির দাবি ওঠে! মদরিচ বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে মাদুয়েকেকে পেটে আঘাত করে নিচে ফেলে দেন। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান।

কিন্তু হ্যারি কেইন পেনাল্টি থেকে প্রথম চেষ্টায় গোল করতে পারেননি। কেইন বাঁ দিকে শট নেন, কিন্তু লিভাকোভিচ তা ঠেকিয়ে দেন। এরপর নাটকীয় মোড়!

গোলের আগে ক্রোয়েশিয়ার ডিফেন্ডার গভারদিওল পেনাল্টি বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন, লিভাকোভিচও গোললাইন থেকে কিছুটা আগে বেরিয়ে এসেছিলেন। তাই পেনাল্টি আবার নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

Advertisement

এবার আর ভুল করেননি হ্যারি কেইন। ডান দিকে জোরালো শটে বল জালে পাঠান (১-০), আর গোলরক্ষক লিভাকোভিচ ভুল দিকে দেন ঝাঁপ।

৩১ মিনিটে অসাধারণ একটি আক্রমণ করে ইংল্যান্ড। কেইন দারুণভাবে বল বাড়িয়ে দেন মাদুয়েকের দিকে। মাদুয়েকের নিচু ক্রস ক্রোয়েশিয়ার রক্ষণভাগে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করে। পেছন থেকে দৌড়ে এসে আক্রমণে যোগ দেন বেলিংহ্যাম, কিন্তু শেষ মুহূর্তে তিনি বলে ঠিকমতো পা ছোঁয়াতে পারেননি।

এর পাঁচ মিনিট পর (৩৬ মিনিটে) সমতায় ফেরে ক্রোয়েশিয়া। সুসিচ দারুণ দক্ষতায় বল বাড়িয়ে দেন বাতুরিনার দিকে। ক্রোয়েশিয়ার এই মিডফিল্ডার পোস্টের উপরের বাঁ কোণের দিকে শট নেন। পিকফোর্ড হাত লাগাতে সক্ষম হলেও শটের গতি এত বেশি ছিল যে, তিনি তা ঠেকাতে পারেননি। বল জড়িয়ে যায় জালের পেছনে (১-১)।

৪২ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। গোলদাতা সেই হ্যারি কেইন! রাইস ডান দিক থেকে আউটসুইং কর্নার নেন। কেইন পেছন থেকে দৌড়ে এসে দুর্দান্তভাবে হেড করেন এবং বল পাঠিয়ে দেন নিচের বাঁ কোণে।

Advertisement

তবে সেই লিড প্রথমার্ধেই আবার হারায় ইংল্যান্ড। দারুণভাবে তৈরি করা একটি গোলে সমতা ফেরায় ক্রোয়েশিয়া। তবে এখানে ইংল্যান্ডের রক্ষণেরও দোষ আছে।

পাসালিচ চমৎকারভাবে বলটি উপর দিয়ে বাড়িয়ে দেন। পেরিসিচ হেড করে বল নামিয়ে দেন মুসার সামনে। মুসা ঠান্ডা মাথায় দুর্দান্ত ভলিতে শট নিয়ে পিকফোর্ডকে পরাস্ত করেন (২-২)।

এমএমআর