বিনোদন

যে কারণে ঐশ্বরিয়াকে ‘আন্টি’ ডেকেছিলেন সোনম কাপুর

বলিউডে তারকাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক, মন্তব্য কিংবা দ্বন্দ্ব প্রায়ই আলোচনার জন্ম দেয়। তবে কিছু ঘটনা সময়ের ব্যবধানে আরও বেশি আলোচিত হয়ে ওঠে। তেমনই একটি ঘটনা অভিনেত্রী সোনম কাপুর ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে ঘিরে। একসময় ঐশ্বরিয়াকে ‘আন্টি’ বলে সম্বোধন করে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন সোনম।

Advertisement

ঘটনাটি ২০০৯ সালের। সে সময় আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন একটি প্রসাধনী ব্র্যান্ডের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কান চলচ্চিত্র উৎসবের লালগালিচায় অংশ নিয়ে আসছিলেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। একই সময়ে ওই ব্র্যান্ডের নতুন ভারতীয় প্রতিনিধি হিসেবে যুক্ত হন সোনম কাপুর। ফলে দুই প্রজন্মের দুই তারকাকে একসঙ্গে দেখার অপেক্ষায় ছিলেন ভক্তরা।

তবে উৎসব শুরুর আগেই এক সাক্ষাৎকারে ঐশ্বরিয়াকে ‘আন্টি’ বলে সম্বোধন করেন সোনম। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। অনেকেই তার মন্তব্যকে অসম্মানজনক বলে মনে করেন।

যদিও এ নিয়ে ক্ষমা চাওয়ার পরিবর্তে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন সোনম। তিনি জানান, ঐশ্বরিয়া তার বাবা অনিল কাপুরের সঙ্গে ‘হামারা দিল আপকে পাস হ্যায়’ ও ‘তাল’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। সেই সম্পর্কের কারণেই তিনি ঐশ্বরিয়াকে ‘আন্টি’ বলে সম্বোধন করেছিলেন।

Advertisement

আরও পড়ুন গলার সমস্যায় ভুগছেন সোনু, নিজেই জানালেন শিল্পী

সোনমের ভাষ্য ছিল, ঐশ্বরিয়া তার চেয়ে ভিন্ন প্রজন্মের একজন মানুষ। তাই তাকে ‘আন্টি’ বলা স্বাভাবিক বলেই মনে করেছিলেন তিনি। তার দাবি, ওই মন্তব্যে কোনো বিদ্বেষ বা অসম্মান করার উদ্দেশ্য ছিল না।

তবে বলিউডের বিভিন্ন মহলে সে সময় বিষয়টি ভালোভাবে নেওয়া হয়নি। ঐশ্বরিয়া অনুরাগীদের পাশাপাশি অনেকেই সোনমের মন্তব্যকে অপেশাদার আচরণ হিসেবে দেখেছিলেন।

বলিপাড়ার গুঞ্জন ছিল, এই মন্তব্যে বেশ বিরক্ত হয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া। এমনো শোনা যায়, একই ব্র্যান্ডের প্রতিনিধি হিসেবে কানের লালগালিচায় সোনমের সঙ্গে উপস্থিত হতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়।

যদিও সময়ের সঙ্গে দুই অভিনেত্রীর সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে আসে। পরবর্তীকালে সোনমও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, সে সময় তার আরও পরিণত আচরণ করা উচিত ছিল।

Advertisement

আরও পড়ুন আইনি বিপাকে সানি লিওন

বহু বছর পেরিয়ে গেলেও বলিউডের আলোচিত বিতর্কগুলোর তালিকায় সোনম কাপুরের ‘আন্টি’ মন্তব্য এখনো অন্যতম চর্চিত বিষয় হয়ে রয়েছে। এটি আজও বি-টাউনের স্মরণীয় বিতর্কগুলোর একটি হিসেবে আলোচিত হয়।

এমএমএফ/এএসএম