প্রবাস

২০২৫ সালে রোমানিয়ায় কাজের ভিসা পেয়েছেন ৮ হাজার ৩১৯ বাংলাদেশি

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য রোমানিয়া কাজের ভিসা দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ জেনারেল ইন্সপেক্টরেট ফর ইমিগ্রেশনের (আইজিআই) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার নাগরিকদের জন্য মোট ৮২ হাজার ১৮০টি কাজের ভিসা অনুমোদন করা হয়েছে।

Advertisement

১১ জুন এসব তথ্য জানায় আইজিআই। এর মধ্যে ২০২৪ সালে আবেদনকারীরাও রয়েছেন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচ দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪৫ হাজার ৪৯৬টি ওয়ার্ক পারমিট পেয়েছে নেপাল। এরপর ১৩ হাজার ৬৯৩টি নিয়ে শ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় এবং ৮ হাজার ৩১৯টি ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া ভারতের নাগরিকরা ৮ হাজার ৮২টি এবং পাকিস্তানের নাগরিকরা ৬ হাজার ৫৯০টি ওয়ার্ক পারমিট পেয়েছেন।

ওয়ার্ক পারমিটের পাশাপাশি নিয়মিত বসবাসের পরিসংখ্যানও জানিয়েছে আইজিআই। ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশটিতে রেসিডেন্স পারমিট নিয়ে বর্তমানে ৮ হাজার ৬৩৫ জন বাংলাদেশি নাগরিক অবস্থান করছেন।

Advertisement

আরও পড়ুন গ্রিসের গাভদোস উপকূলে ২৯ অভিবাসনপ্রত্যাশী উদ্ধার

তাদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৮৯৫ জন কর্মসংস্থানের ভিত্তিতে রেসিডেন্স পারমিট পেয়েছেন। এছাড়া ৫০০ জন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী বা স্টুডেন্ট ভিসায়, ১৬৫ জন পারিবারিক পুনর্মিলনের আওতায়, ৬০ জন স্থায়ী রেসিডেন্স পারমিট নিয়ে এবং অল্প কয়েকজন রিফিউজি স্ট্যাটাস ও অন্যান্য ক্যাটাগরিতে আছেন।

একই সময়ে রোমানিয়ায় নিয়মিত বসবাসকারী নেপালি নাগরিকের সংখ্যা ৫৭ হাজার ৩৩০ জন, যা দক্ষিণ এশীয়দের মধ্যে সর্বোচ্চ। শ্রীলঙ্কার ২৭ হাজার ৩৮০ জন, ভারতের ১৪ হাজার ৬১০ জন এবং পাকিস্তানের ৫ হাজার ২৬৫ জন নাগরিক রেসিডেন্স পারমিট নিয়ে দেশটিতে অবস্থান করছেন।

দক্ষিণ এশীয় নাগরিকদের রোমানিয়ায় অবস্থানের প্রধান রুট কর্মসংস্থান। আইজিআইয়ের তথ্যমতে, নেপালের ৫৬ হাজার ৭০০ জন, শ্রীলঙ্কার ২৬ হাজার ৬২০ জন, ভারতের ১৩ হাজার ১৮৫ জন এবং পাকিস্তানের ৪ হাজার ১৭৫ জন নাগরিক কর্মসংস্থানের ভিত্তিতে রেসিডেন্স পারমিট পেয়েছেন। পরিবার পুনর্মিলন বা উচ্চশিক্ষার মতো অন্যান্য খাতে সংখ্যাটি তুলনামূলক কম।

আইজিআই জানিয়েছে, তারা রোমানিয়ার অভিবাসন, আশ্রয় ও বিদেশিদের একীভূতকরণ নীতি বাস্তবায়ন করে। তবে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব তাদের নয়, এটি রোমানিয়ান বর্ডার পুলিশের কাজ।

Advertisement

এমআরএম