ক্যাম্পাস

জাবি গ্রন্থাগার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জাল সনদে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের ঊর্ধ্বতন সহকারী গাজী মিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে জাল শিক্ষাগত সনদ ব্যবহার করে চাকরি নেওয়া এবং পরবর্তীতে পদোন্নতি লাভের অভিযোগ উঠেছে।

Advertisement

অভিযোগ অনুযায়ী, মিরাজুল ইসলাম সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক শরীফ এনামুল কবির এবং প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক বদিয়ার রহমানের মাধ্যমে গোপালগঞ্জের প্রভাব খাটিয়ে গ্রন্থাগারের নিম্নমান সহকারী কাম কম্পিউটার টাইপিস্ট পদে চাকরি নেন। বর্তমানে পদোন্নতি পেয়ে তিনি ঊর্ধ্বতন সহকারী পদে কর্মরত রয়েছেন। কিন্তু তিনি প্রকৃত শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে আজ পর্যন্ত মূল সনদপত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জমা দিতে পারেননি।

মিরাজুল ইসলামের শিক্ষাগত সনদপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, তিনি ১৯৯২ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৯৯৩ সালে উত্তীর্ণ হওয়ার সনদ গ্রহণ করেন। কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষা পাশ করার আগেই ঢাকার নামকরা সিটি কলেজ ও আইডিয়াল কলেজে ১৯৯১-৯২ শিক্ষাবর্ষে বি.কম (পাস) শ্রেণিতে ভর্তি হয়। এছাড়া দুই বছরের বি.কম (পাস) কোর্স মাত্র এক বছরে সম্পন্ন করে ১৯৯৪ সালে সনদ নেওয়ার বিষয়টিও সন্দেহজনক।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত গাজী মিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘এগুলো বোর্ড ভুল করেছে, আমি ঠিক করে নিয়ে এসেছি।’

Advertisement

দুইটা সার্টিফিকেটেই ভুল থাকা সত্ত্বেও বিষয়টি আপনার চোখে পড়েনি। এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘দুইটাই বোর্ড ভুল করেছে এবং আমিও খেয়াল করি নাই।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, মিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে করা সনদ জালিয়াতির কোনো অভিযোগ এখনো আসেনি। অভিযোগ আসলে প্রমাণ সাপেক্ষে অবশ্যই তদন্ত করা হবে।

মো.রকিব হাসান প্রান্ত/এফএ/জেআইএম

Advertisement