ইউক্রেন ও মলদোভার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্যপদ পাওয়ার প্রক্রিয়ায় আবারও বাধা দিয়েছে হাঙ্গেরি। জুলাই মাসে নতুন আলোচনা ধারা (নেগোশিয়েশন ক্লাস্টার) খোলার প্রস্তাব সমর্থন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে হাঙ্গেরি। তবে, এ পদক্ষেপের পক্ষে জোর দিয়েছিল কিয়েভ এবং ইউরোপীয় কমিশন।
Advertisement
ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যম পলিটিকো-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (২৩ জুন) ইইউর ২৭টি সদস্য দেশের যৌথ অবস্থান তুলে ধরে ইউরোপীয় কাউন্সিল ও কমিশনের কাছে একটি চিঠি পাঠানোর বিরোধিতা করে হাঙ্গেরি।
সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করা একমাত্র দেশ ছিল হাঙ্গেরি। তবে, আগামী সপ্তাহে এ সিদ্ধান্ত অনুমোদনের জন্য আবারও চেষ্টা করা হবে।
হাঙ্গেরির এই অবস্থান অপ্রত্যাশিত ছিল না। ১৮-১৯ জুন অনুষ্ঠিত ইইউ শীর্ষ সম্মেলনে হাঙ্গেরির উদ্যোগে ইউক্রেনের সদস্যপদ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার উল্লেখ সংশ্লিষ্ট নথির ভাষা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।
Advertisement
কিয়েভের বিরুদ্ধে হাঙ্গেরির প্রধান অভিযোগ হলো- ইউক্রেনে বসবাসকারী হাঙ্গেরীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে। মলদোভার বিরুদ্ধে বুদাপেস্টের কোনো আপত্তি নেই। তবে, ইইউর সম্প্রসারণ নীতিমালা অনুযায়ী ইউক্রেন ও মলদোভা একই সম্প্রসারণ গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। ফলে সদস্যপদ প্রক্রিয়ার সব ধাপ উভয় দেশের জন্য সমন্বিতভাবেই এগোতে হবে।
দুই দেশই ১৫ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে ইইউতে যোগদানের আলোচনা শুরু করে। যদিও ইউরোপীয় কমিশন দুই বছর আগেই এ প্রক্রিয়া শুরু করার সুপারিশ করেছিল।
তবে, সদস্যপদ নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়া মানেই ইইউতে যোগদানের নিশ্চয়তা নয় এবং এর কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমাও নেই। উদাহরণ হিসেবে, ২০০৫ সালে ইইউ সদস্যপদ নিয়ে আলোচনা শুরু করলেও আজ পর্যন্ত সেই প্রক্রিয়ার সমাপ্তি দৃষ্টিগোচর হয়নি।
কেএম
Advertisement