তুমুল উত্তেজনার প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয় ২-২ সমতায়। দ্বিতীয়ার্ধে গোল হয় আরও দুটি। যার সবকটিই করেছে মরক্কো। ফলে ৪-২ গোলে জিতে পরের হাইতিকে বিদায় করে পরের রাউন্ডে জায়গা নিশ্চিত করেছে আফ্রিকার দেশটি।
Advertisement
আটালান্টা স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধের হাইতির হয়ে গোল দুটির একটি এসেছে আত্মঘাতী। পরেরটি করেন উইলসন ইসিদোর। আশরাফ হাকিমি ও সাইবারি করেন মরক্কোর হয়ে গোল। দ্বিতীয়ার্ধে বাকি দুটি গোল করেন রাহিমি ও ইয়াসিন।
মরক্কোকে স্তব্ধ করে প্রথমে গোল পায় হাইতি। মরক্কোর গোলকিপার বুনোর ভুলে এগিয়ে যায় হাইতি দশম মিনিটে। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটি ছিল হাইতির প্রথম গোল ও এই বিশ্বকাপের ১৫০তম।
৩৯ মিনিটে হাকিমির গোলে সমতায় ফেরে মরক্কো। এল খান্নুসের শট প্লাসিড ঠেকালেও ফিরতি বল গোলমুখে পড়ে থাকে। সবার আগে সেখানে পৌঁছে আশরাফ হাকিমি কাছ থেকে বল জালে জড়িয়ে দেন। হাইতির ঐতিহাসিক গোলের দ্রুতই জবাব দিলো মরক্কো।
Advertisement
সমতা ফেরালেও হাইতি আবারও গোল করে বসে ৪৩ মিনিটে। ইসিদোরের দুর্দান্ত দূরপাল্লার শট জালের ওপরের বাঁ কোণে গিয়ে লাগে। বল ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হওয়ায় মরক্কোর ভুলের সুযোগ নিয়ে হাইতিকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।
হাইতি এগিয়ে গিয়েও সেই লিড ধরে রাখতে আরেকবার ব্যর্থ হয়। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে একাধিক সুযোগ হাতছাড়া করার পর অবশেষে গোল পান সাইবারি। হাকিমির নিচু ক্রসে দিয়াজ বল ছেড়ে দিলে বক্সের মাঝখানে থাকা সাইবারি প্রথম ছোঁয়াতেই শট নেন। বল গিয়ে জড়ায় জালের নিচের বাঁ কোণে। প্রথমার্ধের বিরতির আগে ম্যাচে ২-২ সমতা ফেরায় মরক্কো।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের ৭৮ মিনিটে গোল করেন মরক্কোর সুফিয়ান রাহিমি। ফলে ৩-২ গোলে এগিয়ে যায় গতবারের সেমিফাইনালিস্টরা। কর্নার থেকে আসা বলে রিয়াদের প্রথম ছোঁয়ার পর বল পৌঁছে যায় রাহিমির কাছে। এক টাচে জায়গা তৈরি করে দুর্দান্ত কার্লিং শটে তিনি বল জড়ান জালের ওপরের কোণে।
একেবারে শেষদিকে ৮৯ মিনিটের সময় বাম দিক থেকে রাহিমি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত খেলা চালিয়ে যান এবং বল বাড়ান ইয়াসিনের কাছে। ফাঁকা জালে সহজেই বল জড়িয়ে দেন তিনি। হাইতির খেলোয়াড়রা বল বাইরে চলে গিয়েছিল বলে দাবি করলেও রেফারি ভিএআর যাচাই শেষে গোলের বৈধতা নিশ্চিত করেন। মরক্কো এগিয়ে যায় ৪-২ ব্যবধানে।
Advertisement
আইএন