বিশ্বকাপ ফুটবলের মধ্যেই ক্রিকেট দলের বিদেশ সফর। একের পর এক সিরিজ, একের পর এক ম্যাচ। মিডিয়ার জন্য বাড়তি চাপ, বাড়তি কাজ, খানিকটা ভোগান্তিও। চার বছর পরপর যখন ফুটবল বিশ্বকাপ আসে, তখন স্বাভাবিকভাবেই সবার চোখ ও মন থাকে ফুটবলের দিকে। এর মধ্যে ক্রিকেট চললেও সেটি খুব স্বাভাবিকভাবেই আকর্ষণ হারায়। পাঠক-দর্শকের আগ্রহও থাকে অনেক কম।
Advertisement
এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে গোটা বিশ্বের মতো বাংলাদেশের ক্রীড়াপ্রেমীরাও ব্যস্ত। এর মধ্যেই ক্রিকেট দলের জিম্বাবুয়ে সফর। প্রথমে একটি টেস্ট, এরপর টি-টোয়েন্টি সিরিজ। বলার অপেক্ষা রাখে না, অন্য সময়ের তুলনায় তিন ভাগের এক ভাগও উৎসাহ-আগ্রহ নেই এই সফর ঘিরে।
অনেকেরই মত, বিশ্বকাপ ফুটবলের এই সময়ে জিম্বাবুয়ে সফরটা টাইগারদের জন্য যেন 'শাপে বর' হয়ে এসেছে। তা না হলে নাজমুল হোসেন শান্তর দল একমাত্র টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে যে যাচ্ছেতাই ক্রিকেট খেলেছে এবং যেভাবে করুণভাবে হেরেছে, তা নিয়ে আরও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যেত। চারদিক থেকে উঠত কঠোর সমালোচনার ঝড়।
কিন্তু বিশ্বকাপ ফুটবলের ডামাডোল, আকর্ষণ আর বিশালতার মধ্যে সেই সমালোচনার ছিটেফোঁটাও দেখা যাচ্ছে না। একদিক থেকে এটি টিম বাংলাদেশের জন্য বড় স্বস্তিরই বিষয়। ক্রিকেটে যারা টাইগারদের সমর্থক, তাদের বড় একটি অংশ এখন মেতে আছেন বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে।
Advertisement
সবার চোখ এখন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার বিশ্বকাপের মাঠে। তাদের চিন্তায় এখন আর লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, তানজিদ হাসান তামিম, তৌহিদ হৃদয়, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান কিংবা নাহিদ রানা নেই। তার বদলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপে, আর্লিং হলান্ড, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, কাসেমিরোরা।
সবাই ব্যস্ত ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সকে নিয়ে। এমনকি বাংলাদেশের ক্রিকেটাররাও রাত জেগে নিজেদের প্রিয় দলের খেলা দেখতে ব্যস্ত। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে যাচ্ছেতাই পারফরম্যান্স এবং করুণ পরাজয়ের পরও কেউ কেউ অপেশাদার মানসিকতার পরিচয় দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস ও ছবিও পোস্ট করছেন।
এআরবি/এসকেডি/জেআইএম
Advertisement